এখনই থামতে চান না রোনালদো

সংগৃহীত ছবি
পর্তুগালের শুরুর একাদশে তার থাকা উচিত কি না, সে নিয়ে বিস্তর তর্ক চলছে দল ঘোষণার পর থেকে আজও। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো আরও কতদিন জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামবেন, এর উত্তরও খুঁজছেন কমবেশি সবাই। স্পেনের বিপক্ষে শেষ ১৬ এর ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনেও রোনালদোর সামনে ছিল এমন প্রশ্নই। সিআর সেভেন অবশ্য স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই জানিয়ে দিয়েছেন, যখন ঠিক মনে হবে তখনই অবসর নেবেন তিনি।
৪১ বছর বয়সে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে এসেছেন রোনালদো। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের একদিন আগে নিশ্চিত করেছেন, এটাই হতে যাচ্ছে তার শেষ বিশ্বকাপ। তবে স্পেনের বিপক্ষেই যাত্রা থামবে না বলেই বিশ্বাস রোনালদোর, ‘এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে, তবে আশা করি স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটাই আমার শেষ ম্যাচ হবে না।‘
অবসরের প্রশ্নে বরাবরের মতো এবারও রোনালদো খানিকটা বিরক্তি নিয়েই জানিয়েছেন, আগের মতো না থাকলেও এখনো খুব একটা খারাপ খেলছেন না তিনি, ‘আমি আগের মতো সেই খেলোয়াড় নই। তবে আমি খুব একটা খারাপও করছি না। আপনারা (সাংবাদিকরা) ২৩ বছর ধরে আমাকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন যে এতে কোনো লাভ নেই। এ সময়ের অপচয় মাত্র! তাও আপনারা চেষ্টা করেই যাচ্ছেন, করেই যাচ্ছেন। যখন আমি নিজে সিদ্ধান্ত নেব, তখনই অবসরে যাব। আপনারা সিদ্ধান্ত দিলে নয়। আপনারা সবসময় একই প্রশ্ন করেন।‘
ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেললেও একবার ছুঁয়ে দেখা হয়নি সোনালি সেই ট্রফি। খালি হাতেই যদি বিশ্বকাপের মঞ্চকে বিদায় বলতে হয়, সেটার জন্যও প্রস্তুত রোনালদো, ‘আমি বিশ্বকাপ জিতলে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো হিসেবে আরও বড় হয়ে যাব না, আবার না জিতলে ছোট হয়ে যাব না। এমনকি ৪০ বছর পার করার পর আমার ওপর যে আক্রমণগুলো হচ্ছে, সেগুলোর জন্য আমি ধন্যবাদ জানাই! সমালোচনাই মানুষকে বড় করে তোলে, তাই এটি করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। স্পেনের বিপক্ষে যাই ঘটুক না কেন, রোনালদো একদম পরিষ্কার মন নিয়ে বিদায় নেবে। ১০০% নয় বরং ১০০০% নিয়ে, কারণ জীবন এবং ফুটবল, উভয় ক্ষেত্রেই আমি আমার সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি।‘




