বার্সার রেকর্ড রিয়াল ছন্দে

জোড়া গোল করেছেন বার্সার রাফিনিয়া
পিএসজির মাঠে ধরাশায়ী হওয়ার পর এল ক্লাসিকোতেও হেরে বার্সেলোনা গোল উৎসব করেছে আলাভেসের জালে। তারা জিতেছে ৬-১ গোলে। এরপর আঃত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া রিয়াল মাদ্রিদও এল সার্দিনো স্টেডিয়ামে গিয়ে তুমুল দাপটে ৩-০ গোলে হারিয়েছে রেসিংকে।
লামিন ইয়ামাল ও রাফিনিয়ার জোড়া গোলের পর ফেরমিন লোপেস ও অ্যান্থনি গর্ডন করেছেন একটি করে গোল। লা লিগায় প্রথম ১১ ম্যাচে বার্সেলোনার গোল ৪৬টি। ফরাসি পরিসংখ্যানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘স্ট্যাটস ফুট’ জানাচ্ছে, ১৯৪০-৪১ মৌসুমে সেভিয়া প্রথম ১১ ম্যাচে করেছিল সর্বোচ্চ ৪৬ গোল। ৮৬ বছর পর সেই রেকর্ডে ভাগ বসাল বার্সেলোনা।
লা লিগায় রাফিনিয়ার গোল এখন ১৫টি, যা এ মৌসুমের সর্বোচ্চ। লামিন ইয়ামালও জোড়া গোল করে ফিরেছেন ছন্দে।
ওদিকে ক্লাসিকো জিতে মরিনহো যেন জয়ের ফর্মুলা পেয়ে গেছেন। এই ম্যাচেও ক্লাসিকোর একাদশ খেলিয়েছেন; ফ্লু থেকে সেরে ওঠা কোর্তোয়া ফিরেছেন গোলবারের নিচে এবং ইনজ্যুরড ভালভার্দের জায়গায় নামেন ট্রেন্ট। তাতে মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়নি। দুই ফ্ল্যাঙ্ক ও মাঝমাঠ দিয়ে আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। গোল আদায় করে নেয় ১১ মিনিটে, এমবাপ্পের স্পট কিকে। তবে পেনাল্টির মুভ নিয়ে বিতর্ক আছে, এমবাপ্পে বক্সের ভেতর ঢুকতেই প্রাতি তার বুকে হাত রাখতেই লুটিয়ে পড়েন ফরাসি তারকা। এই বিতর্ক কোনোভাবেই ম্যাচের বাস্তবতাকে আড়াল করতে পারেনি। রিয়াল ক্ষুধার্ত বাঘের মতো হাই প্রেসিং করে চেয়েছিল ম্যাচ শেষ করতে। তা-ই হয়েছে। বেলিংহাম ২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বিরতিতে যাওয়ার আগেই দিওমান্দে আরেকটি দুর্দান্ত গোল করে ছিটকে দেন রেসিংকে। সুবাদে রিয়াল ২৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়, এক পয়েন্ট এগিয়ে থেকে অাতলেতিকো দ্বিতীয় এবং ৩ পয়েন্টের ব্যবধানে শীর্ষে বার্সেলোনা।
এদিকে ব্যালন ডি’অর জয়ের পর বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে প্রথমবার খেলতে নেমেছিলেন হ্যারি কেইন। দুবার এগিয়ে গিয়েও ২-২ সমতায় ম্যাচ শেষ করেছে বায়ার্ন। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর পেনাল্টি মিস করেছিলেন কেইন! বায়ার্নের হয়ে আগের ২৬টি পেনাল্টির ২৫টিতে জালে পাঠিয়েছিলেন তিনি। তা ছাড়া কেইনের একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় পোস্টে লেগে।



