বিশ্বকাপ
নিজেদের মাঠে মেক্সিকোর দাপুটে জয়

ছবি: রয়টার্স
ফুটবল বিশ্বকাপের নিয়মিত মুখ মেক্সিকো। ওদিকে তিন আসর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। অংশগ্রহণের এই হিসাবই দুই দলের পার্থক্য বোঝানো জন্য যথেষ্ট। মাঠের ফুটবলেও সেটির প্রতিফলন। মেক্সিকো সিটির স্তাদিও আজতেকায় দুর্দান্ত ফুটবলে আফ্রিকান দেশটিকে শাসন করছে উত্তর আমেরিকার দেশটি।
২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। দুই অর্ধে গোল দুটি করেছেন হুলিয়ান কুইনোনেস ও রাউল হিমিনেস।
এবার নিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বমঞ্চে দেখা হলো দল দুটির। মজার ব্যাপার হলো, ২০১০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা। সেবারের দক্ষিণ আফ্রিকা দারুণ পারফরম্যান্সে ম্যাচ শেষ করেছিল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে।
তবে এবারের লড়াইয়ে প্রথমার্ধে অন্তত তাদের খেলায় লড়াইয়ের ছিটেফোঁটাও চোখে পড়েনি। মেক্সিকোর চমৎকার ফুটবলে রক্ষণ বাঁচাতেই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে আফ্রিকার দলটিকে।
নিজের মাঠে ৮৪ হাজার দর্শক-সমর্থকের সামনে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেক্সিকো। গোল পেতেও দেরি হয়নি। ম্যাচের নবম মিনিটে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন কুইনোনেস। এরিক লিরার পাস থেকে দারুণ দক্ষতায় বল জালে জড়ান এই ফরোয়ার্ড।
বিরতির পরও মেক্সিকো আক্রমণ করে যায় সমান তালে। সেই তোপ সামলাতে গিয়ে প্রথম লাল কার্ড দেখেন সিথোলে। মেক্সিকোর গুতিরেসকে বাজেভাবে ফাউল করে তিনি মার্চিং অর্ডার পেলে দক্ষিণ আফ্রিকা পরিণত হয় ১০ জনের দলে।
৬৬ মিনিটে মেক্সিকোর আলভারো ফিদালগোর জায়গায় নামেন গিলবার্তো মোরা, যিনি হয়েছেন এই বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়।
তার মিনিটখানেক বাদেই মেক্মিকো এগিয়ে যায় ২-০ গোলে। রোবার্তো আলভারান্দোর অ্যাসিস্টে হেড গোল করেন রাউল হিমিনেস।
২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া আফ্রিকা শেষ মুহূর্তে গিয়ে আরেকটি লাল কার্ড দেখে ৯ জনের দলে পরিণত হয়। থেম্বা জাওয়ানি মেক্সিকোর আলভারান্দোকে ফাউল করে মাঠে ছাড়েন। যোগ করা সময়ে মেক্সিকোর সিজার মোন্তেস লাল কার্ড দেখলে শেষমেষ নয়-দশের লড়াইয়ে ২-০ গোলে জেতে স্বাগতিকরা।




