শিরোপার মঞ্চে লাল কার্ডের রেকর্ডে এগিয়ে আর্জেন্টাইনরা

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে লাল কার্ডের ঘটনা খুবই বিরল। ২০২৬ সালের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে সেই বিরল তালিকায় নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনসো ফের্নান্দেস। ২০১০ সালের ১১ জুলাই স্পেনের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের জন হেইটিঙ্গা লাল কার্ড দেখার পর বিশ্বকাপ ফাইনালে এটিই প্রথম বহিষ্কারের ঘটনা।
বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মোট সাতবার খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছেন। তার ভেতর চারজনই আর্জেন্টাইন। ১৯৯০ সালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনসন ও গুস্তাভো দেজোত্তি, ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের মার্সেল দেসাই, ২০০৬ সালে ফ্রান্সের জিনেদিন জিদান, ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসের জন হেইটিঙ্গা এবং ২০২৬ সালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার এনসো ফের্নান্দেস ও লেয়ান্দ্রো পারেদেস এ তালিকায় রয়েছেন।
ম্যাচের ৮২ মিনিটে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন এনসো। পরে অতিরিক্ত সময়ে (৯৩ মিনিটে) স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে বিপজ্জনকভাবে ফাউল করার কারণে তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখতে হয়, যা লাল কার্ডে পরিণত হয়। এর ফলে অতিরিক্ত সময়ের পুরোটা সময় ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
ফাইনালে স্পেনের ১-০ গোলের জয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরই মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে তুমুল হাতাহাতি ও মারামারি শুরু হয়। এই সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন পারেদেস। উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে তিনি স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং গাভিকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের জন্য রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।




