আড়ালের নায়ক গিমারেস

ব্রুনো গিমারেস। ছবি: রয়টার্স
নেইমার, ভিনিসিয়ুস, কাসেমিরো, এনদ্রিক— ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের যেন একেকটি নক্ষত্র। তাদের আলোয় ঢাকাই থাকেন ব্রুনো গিমারেস। আড়ালে থেকে অবশ্য নিজের কাজটি ঠিকই করে চলেছেন এই মিডফিল্ডার।
গ্রুপ পর্বে তার অ্যাসিস্ট ছিল তিনটি। জাপানের বিপক্ষেও করলেন আরও একটি অ্যাসিস্ট। সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ চার অ্যাসিস্ট তারই।
১৯৮২ বিশ্বকাপে জিকোর পর আর কোনো ব্রাজিলিয়ান বিশ্বকাপের এক আসরে এত বেশি অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। ১৯৭০ বিশ্বকাপে রেকর্ড ছয়টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে। তার রেকর্ডের চেয়ে মাত্র দুটি অ্যাসিস্ট দূরে এখন গিমারেস।
জাপানের বিপক্ষে পাকেতা নিজের সেরা ফর্মে ছিলেন না। ইনজুরির জন্য মাঠও ছাড়তে বাধ্য হন। পাকেতা না থাকায় বিরতির পর গিমারেস একাই যেন দলের আক্রমণভাগের হাল ধরেছিলেন। কখনো মাঝমাঠে প্রথাগত ৮ নম্বর পজিশনের খেলোয়াড়ের মতো খেলছিলেন, আবার কখনো পেনাল্টি বক্সের একেবারে ভেতরে বা কাছাকাছি চলে যাচ্ছিলেন। মার্তিনেল্লির গোলের পাস দেওয়ার সময়ও ছিলেন সঠিক জায়গায়।




