ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
● মাথাব্যথা
● মাথা ঘোরা
● বমি বমি ভাব
● বমি হওয়া
● মুখ শুকিয়ে যাওয়া
● ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া
● অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগা
● দ্রুত শ্বাস নেওয়া
● হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত হওয়া
ডিহাইড্রেশনের প্রভাব
মৃদু ডিহাইড্রেশন : শরীরের মোট পানির সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কমে গেলে
● অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগে
● প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যায়
● মুখ শুকিয়ে যায়
মাঝারি ডিহাইড্রেশন : শরীরের মোট পানির ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমে গেলে
● মাথাব্যথা হয়
● দুর্বলতা বা ক্লান্তি অনুভূত হয়
● পেশিতে খিঁচুনি হতে পারে
তীব্র ডিহাইড্রেশন : শরীরের মোট পানির ১০ শতাংশের বেশি কমে গেলে
● মাথা ঘোরে
● হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে যায়
● বিভ্রান্তি বা স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করতে সমস্যা হতে পারে
হাইড্রেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
• হৃদ্যন্ত্রকে সারা শরীরে রক্ত পাম্প করতে সাহায্য করে।
• শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের হতে সহায়তা করে।
• শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
● পানির উৎস কী?
• বিশুদ্ধ পানি সবচেয়ে ভালো উৎস।
• তরমুজসহ বিভিন্ন ফল এবং শাকসবজিও শরীরে পানির চাহিদা পূরণে সাহায্য করে।
● কোন পানীয় এড়িয়ে চলবেন?
• অতিরিক্ত চিনি যুক্ত কোমল পানীয় ও সফট ড্রিংকস।
• অনেক স্পোর্টস ড্রিংকেও চিনি ও ক্যালরি বেশি থাকে।
• অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় শরীর থেকে পানি কমিয়ে দিতে পারে।
● প্রতিদিন কতটা তরল প্রয়োজন?
• পুরুষদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩.৭ লিটার বা প্রায় ১৫.৫ কাপ তরল।
• নারীদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ২.৭ লিটার বা প্রায় ১১.৫ কাপ তরল।
• মনে রাখবেন, এটি কাপের পরিমাপ। একটি গ্লাস বা বোতলে অনেক সময় এক কাপের বেশি পানি থাকে।
● হাইড্রেশনকে অভ্যাসে পরিণত করুন
• নিয়মিত বিরতিতে পানি পান করুন।
• তৃষ্ণা লাগার অপেক্ষা না করে সারাদিন অল্প অল্প করে পানি পান করুন।
• প্রতিদিনের রুটিনে পর্যাপ্ত পানি পানকে একটি অভ্যাসে পরিণত করুন।




