দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বপ্নপূরণের লড়াই

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
এক দল বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রাখতে অপেক্ষা করেছে ৫২ বছর। আরেক দলের অপেক্ষা ২৮ বছরের। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশ্বকাপ খেলতে আসা হাইতি ও স্কটল্যান্ড মুখোমুখি হচ্ছে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই। অপেক্ষার পালা শেষে এ লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসবে কে?
দুই ভিন্ন ধাঁচের ফুটবল সংস্কৃতির এক লড়াই দেখতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ। হাইতির শারীরিক শক্তি ও দ্রুতগতির আক্রমণভিত্তিক ফুটবলের বিপক্ষে স্কটিশরা খেলবে কৌশলী ফুটবল, যেখানে বল দখলের লড়াইটাই থাকবে মূল লক্ষ্য।
হাইতির অপেক্ষার পালাটা একটু বেশিই দীর্ঘ। সেই ১৯৭৪ সালে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ছোট্ট এই দ্বীপরাষ্ট্রটি। পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল তারা। সেবার গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ হেরে বিদায় নিলেও ইতিহাসের পাতায় স্থায়ীভাবে লেখা হয়ে যায় তাদের নাম। ইতালির বিপক্ষে দেশটির কিংবদন্তি স্ট্রাইকার এমানুয়েল সানোর সেই গোল আজও স্মৃতির পাতায় অমর হয়ে আছে। এটাই ছিল হাইতির বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম গোল।
৫২ বছর আগে পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে হাইতি প্রথমবারের মতো যোগ্যতা অর্জন করে সবাইকে চমকে দিয়েছিল। কনকাকাফ অঞ্চলের কঠিন বাছাই পর্ব পেরিয়ে তারা বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেয়, যা সে সময় অনেকেই অপ্রত্যাশিত হিসেবে দেখেছিল। তবে টুর্নামেন্টে গিয়ে হাইতি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। নতুন প্রজন্মের সামনে লক্ষ্য একটাই— সেই স্বপ্নের বিশ্বমঞ্চে আবার ফিরে যাওয়া, যেখানে একদিন সানোররা ইতিহাস লিখেছিলেন।




