আসল নায়ক ফুয়েন্তে

লুইস দে লা ফুয়েন্তে
ফাইনালের মঞ্চটা হয়তো লুইস দে লা ফুয়েন্তেকে একটু বেশিই পছন্দ করে। না হলে কেনইবা প্রতি বছর এমন হবে? কোচিং ক্যারিয়ারে টানা ৯ বছরের প্রতিটিতেই অন্তত একবার করে দলকে ফাইনালে তুলেছেন এই স্প্যানিশ কোচ।
বয়সভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দল, স্পেনের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এটি তার ক্যারিয়ারের নবম ফাইনাল। এর আগের আটটি ফাইনালের মধ্যে দে লা ফুয়েন্তে শিরোপা জিতেছেন ছয়বার।
ফাইনালের সঙ্গে দে লা ফুয়েন্তের সখ্য ২০১৫ সাল থেকে। স্পেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নিয়ে সেবার রাশিয়াকে হারিয়ে ইউরো জিতেছিলেন তিনি।
সিনিয়র দলের দায়িত্ব নেন ২০২৩ সালে। সে বছরই স্পেনকে নেশনস লিগের শিরোপা এনে দেন দে লা ফুয়েন্তে। পরের বছরই নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় শিরোপা জেতেন তিনি। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে এক যুগ পর স্পেনকে ইউরো এনে দেন দে লা ফুয়েন্তে।
ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতেই বেশি পছন্দ করব। কারণ, স্কালোনির সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। তবে ইংল্যান্ডও শক্তিশালী এবং কঠিন প্রতিপক্ষ -লুইস দে লা ফুয়েন্তে
৯ বছরে ৯ ফাইনাল। কী এমন জাদু আছে ফুয়েন্তের কোচিং দর্শনে? মাইকেল বালাক একবার বলেছিলেন, ফুয়েন্তে তার অনুপ্রেরণা পান ইয়োহান ক্রুইফ থেকে। বরাবরের মতো এবারও ক্রুইফের সেই বার্সেলোনার ফুটবলার আধিক্য স্প্যানিশ জাতীয় দলে। বার্সার সেই ঐতিহ্যবাহী তিকিতাকা প্রায় হারিয়েই গিয়েছিল ইউরোপের প্রেসিং ফুটবলের সামনে। ফুয়েন্তের হাত ধরে ফিরেছে সেই বলের পজেশন ধরে রেখে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করার কৌশল। আর এতেই ফ্রান্সের মতো প্রতাপশালী দলকেও ধরাশায়ী করেছেন কুবারসি-কুকুরেয়ারা।
বিশ্বকাপের ফাইনালে ফুয়েন্তে চান তারই ছাত্র লিওনেল স্কালোনিকে। সংবাদ সম্মেলনে ফুয়েন্তে বলেছেন, ‘আমি ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতেই বেশি পছন্দ করব। কারণ, স্কালোনির সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। তবে বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত ভালো লাগার নয়, ইংল্যান্ডও অত্যন্ত শক্তিশালী ও কঠিন প্রতিপক্ষ। দুই সেমিফাইনালের যেকোনো দলই ফাইনালে যাওয়ার মতো যোগ্য।’




