ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ৭২ ইউরোপীয় এমপির

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে বড় রাজনৈতিক ঝড়ের মুখে পড়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। হোয়াইট হাউসের সরাসরি হস্তক্ষেপের পর নেওয়া এই সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৭২ জন সদস্য।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের (এমইপি) ৭২ জন সদস্য ২৭টি ইউরোপীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধানদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি লিখে ইনফান্তিনোর ওপর চাপ বাড়িয়েছেন। লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা থেকে বালোগুনের রেহাই পাওয়ার সিদ্ধান্ত-প্রক্রিয়া নিয়ে অবিলম্বে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। এর আগে প্রকাশ্যে আসে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগাযোগ করে এই খেলোয়াড়ের পক্ষে সুপারিশ করেছিলেন।
এমইপিদের চিঠিতে বলা হয়, এক-ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ইউরোপীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর এখনই হস্তক্ষেপ করা উচিৎ। এছাড়া এই সিদ্ধান্ত-প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানান তারা।
সমালোচনা ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ সত্ত্বেও ইনফান্তিনো নিজের অবস্থানে অনড় থেকে দাবি করেছেন, সংস্থার বিচারবিভাগীয় শাখাগুলো বাইরের কোনো প্রভাব ছাড়াই কাজ করে। ফিফা প্রধান স্বীকার করেছেন যে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ইনফান্তিনো বলেন, ফিফার বিচারবিভাগীয় সংস্থাগুলো স্বাধীন। এছাড়া তারা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে, ফিফার শৃঙ্খলাবিধি প্রয়োগ করে এবং নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে ফিফার স্বাধীন বিচারবিভাগীয় সংস্থাগুলোর মাধ্যমে একটি চলমান আইনি প্রক্রিয়া চলছে এবং যথাসময়ে যোগ্য সংস্থাগুলোই এই মামলার সিদ্ধান্ত নেবে, ‘ফিফার ব্যবস্থা এভাবেই কাজ করে, আর এই নীতি তিনি সবসময় ধরে রাখবেন।‘




