আর্জেন্টাইনদের উদযাপন

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে এনসো ফের্নান্দেসের কানের পেছনে হাত দেওয়ার উদযাপনটি কি বর্ণবাদী ছিল? এ নিয়ে সেমিফাইনালের পর থেকেই চলছে নানা তর্কবিতর্ক। তবে উদযাপনটি বর্ণবাদী ছিল না। এটি মূলত দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের সুপরিচিত ‘তপো গিগিও’ উদযাপন। এই নামটি এসেছে ১৯৫৮ সালে ইতালিতে তৈরি একটি শিশুদের চরিত্র থেকে। মূলত একটি বড় কানওয়ালা ছোট ইঁদুর, যা ওই সময় আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলসহ বেশ কয়েকটি দেশে টেলিভিশন বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল।
আর্জেন্টিনার রিকুয়েলমে ও মেসি এই উদযাপন করে আলোচনায় এসেছিলেন। ২০০১ সালে প্রথমবার এই উদযাপন করে আলোচনায় আসেন রিকুয়েলমে। গত বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও একই উদযাপন করেছিলেন মেসি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে করা হাত ও আঙুলের ইশারায় করা এনসোর এই উদযাপনের অর্থ ছিল— ‘কথা বলতে থাকো’ বা ‘সমালোচকদের মুখ বন্ধ করা’, যার সঙ্গে কোনো বর্ণবাদের সম্পর্ক নেই। ২০২৪ সালে ফরাসি দলের বিপক্ষে একটি বর্ণবাদী স্লোগানে জড়িয়েছিলেন এনসো। তার এই অতীতের কারণে এবার অভিযোগটি উঠেছিল।




