বিশ্বকাপের আলো কেড়ে নিতে পারেন এই চার তরুণ

সংগৃহীত ছবি
প্রতিটি ফুটবল বিশ্বকাপই চমক উপহার দেয়। কোনো আলোচনায় না থেকেও অনেকেই বিশ্বকাপের সব আলো কেড়ে নেন। জিতে নেন পুরষ্কার। আসন্ন বিশ্বকাপে এমন উঠতি তারকা এবার কারা হবেন? নজর রাখা যেতে পারে এই চার নতুন মুখে:
ডেনিজ উনদাভ, জার্মানি
ফ্লোরিয়ান রিটজ নাকি জামাল মুসিয়ালা, এবারের বিশ্বকাপে জার্মান জার্সিতে কারা তাক লাগাবেন সেই আলোচনায় প্রথমে আসে এ দুজনের নাম। তবে ২৮টি বুন্দেসলিগা ম্যাচে ১৯ গোল ও ৬ অ্যাসিস্ট নিয়ে আরও এক জার্মান স্ট্রাইকার আলোচনায় আছেন। তিনি ডেনিজ উনদাভ। স্টুটগার্টের হয়ে খেলা ২৯ বছর বয়সী এ স্ট্রাইকার ফিনল্যান্ডের সঙ্গে ৪-০ গোলে জেতা বিশ্বকাপ ওয়ার্মআপ ম্যাচে করেছেন ২ গোল।
এসমির বারাকতারভিচ, বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা
২১ বছর বয়সী এই উইঙ্গারের নেওয়া শেষ পেনাল্টি কিকেই ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে ইতালি। বসনিয়ার না হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দলে থেকে এবারের বিশ্বকাপ খেলতে পারতেন এসমির। কিন্তু জাতীয়তা বদলে যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে জন্ম নেওয়া তরুণ হয়ে গেলেন বসনিয়ার। তার পায়েই লেখা হলো ইতালির দুঃখগাঁথা। ডাচ ক্লাব পিএসভির হয়ে খেলা এই তরুণ প্রতিপক্ষের রক্ষণ গুঁড়িয়ে দিতে পারেন। ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে ভালো বল বানিয়ে দিতে পারেন। অবশ্য তার গোলের গড় এখনও সমৃদ্ধ নয়।
অ্যান্তোনিও নুসা, নরওয়ে
জাতীয় দলে আর্লিং হালান্ডের যে সাফল্য, তার অর্ধেকটার দাবিদার হতে পারেন এই উইঙ্গার। জাতীয় দলে হালান্ডের সিংহভাগ গোলের পাস আসে জার্মান ক্লাব লাইপজিগের হয়ে খেলা এই ২১ বছর বয়সী তরুণের পা থেকেই। বসনিয়ার এসমিরের মতোই প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভেদ করতে নুসা বেশ পটু। বিপক্ষ ডিফেন্ডারের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান লড়াইয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জিতে যান এই তরুণ।
নিকো পাজ, আর্জেন্টিনা
গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা পেয়েছিল এনজো ফার্নান্দেজকে। এবার সেই জায়গা নিতে পারেন নিকো। ইতালিয়ান ক্লাব কোমোর হয়ে ২১ গোলের দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটিয়ে বিশ্বকাপে পা রাখছেন এই তরুণ। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে বিশ্বজয়ীদের প্রথম একাদশে তার জায়গা হয়তো নেই। তবে বদলি হিসেবে এই আসরে দারুণ কার্যকর হতে পারেন নিকো।




