চ্যাম্পিয়নের ডিএনএ মেসিদের

লিওনেল মেসি
‘শেষ হওয়ার আগে কোনো কিছু শেষ নয়’— চ্যাম্পিয়নদের ডিএনএতেই থাকে এটা। একই মানসিকতায় খেলে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাও। এজন্যই নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও মিসরকে তারা হারাল ৩-২ ব্যবধানে। শেষ ১৩ মিনিট লিওনেল মেসি নামের জাদুকর রচনা করলেন আরও এক মহাকাব্য। বিশ্বকাপে সফল হওয়ার চাবিকাঠিটা আসলে এখানেই।
বিশ্বকাপ সবসময়ই নতুন কৌশল তুলে ধরার এক বড় মঞ্চ। বাস্তবতা হচ্ছে ফুটবল শুধু ভালো বা খারাপ খেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে এখানে অন্য কিছু হয়ে ওঠে। মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার এই ঐতিহাসিক ফিরে আসার ম্যাচটি ঠিক তেমন। এই ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির দল বুঝিয়ে দিয়েছে, একজন চ্যাম্পিয়নের ডিএনএতে সাহসিকতা, আবেগ, জেদ আর বিশ্বাসের দরকার। এসব অনুশীলন করে পাওয়া যায় না।
এমনকি নিজেদের সেরা দিনে না থেকেও আর্জেন্টিনা জিতেছে, কারণ তাদের খেলোয়াড়রা হাল ছাড়েননি। আর তাদের দলে আছেন একজন লিওনেল মেসি। এই দলের অনেকে তাকে প্রায় ঈশ্বর মনে করেন। সেই মেসির এক গোল আর এক অ্যাসিস্টে ১৩ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক ফিরে আসার গল্প লিখেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে মেসির স্বস্তি, ‘আমি সবসময় যেমনটা বলি, এই দল কখনো হাল ছাড়ে না। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যায়। এই দল যা করেছে, সত্যিই অবিশ্বাস্য। আশা করি, আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে।’
ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদেছিলেন মেসি। কেঁদেছিলেন কোচ স্কালোনিও। নিজেকে সামলে নিয়ে স্কালোনি বলেছেন, ‘আমাদের যদি হারতেই হয়, তবে আমি এভাবেই হারতে পছন্দ করব।’




