সিংগাপুরের সঙ্গে লড়াই করে হার

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের তুলনায় মাঠের লড়াইয়ে উন্নতির গ্রাফ উপরের দিকে উঠেছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের। তবুও হার এড়ানো যায়নি। ফিফা আসিয়ান কাপে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে এই প্রতিপক্ষের কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ১-০ ব্যবধানে। আগের ম্যাচে মালয়েশিয়ার সঙ্গে ৩-০ গোলের হার হজম করতে হয়েছিল।
সিংগাপুরের সঙ্গে আজ হামজাদের লড়াকু মানসিকতা দেখা গেছে ম্যাচের শুরু থেকেই। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সৌভাগ্যের পরশ পায়নি বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে শমিত সোমের হেডার থেকে অল্পের জন্য বাংলাদেশ গোলের দেখা পায়নি।
এছাড়া ৭০ মিনিটের আগে আরও একটি গোলের সুযোগ তৈরি হয়ছিল। তাও বাংলাদেশ ফুটবলারের হেড থেকে বাতাসে ভাসা বলটি সিংগাপুর গোল পোস্টের অনেকটা উপর দিয়ে চলে যায়। এছাড়া রকিব ডান উইং থেকে ডি বক্সে একাধিক শট নিয়েছিলেন। যদিও সেসব খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ দলের কাউকে।
দ্বিতীয়ার্ধে কর্ণারও বেশি পেয়েছে বাংলাদেশ। সিংগাপুরের ৩ কর্নারের বিপরীতে বাংলাদেশের কর্ণার ছিল ১১টি। অবশ্য দিন শেষে প্রথমার্ধে ৩৫ মিনিটে হজম করা গোলটিই ব্যবধান গড়ে দিল। ৩৫ মিনিটে বাঁদিক থেকে উড়ে আসা ক্রসে লক্ষ্যভেদ করেন স্টুয়ার্ট। একেবারেই আনমার্কড ছিলেন তিনি, তার হেডে কিছুই করার ছিল না বাংলাদেশের গোলরক্ষক শ্রাবণের। এর আগে অবশ্য দু-দুটো দুর্দান্ত সেভ করে এই গোলরক্ষক খেলায় রেখেছিলেন বাংলাদেশকে।
অনেকদিন পর একাদশে ফিরেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। মিডফিল্ডার সোহেল রানার জায়গায় তিনি খেলছেন তবে উল্লেখযোগ্য কোনো অবদান নেই।
দুই ম্যাচ হেরে গ্রুপ থেকেই বিদায় নেওয়ার মুখে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচে বাংলাদেশের মোট গোল হজম চারটি।
বাংলাদেশ
একাদশ
মেহেদী হাসান (গোলকিপার), সাদ উদ্দিন, জিদান ইউসুফ, জায়ান আহমেদ, তারিক কাজী, হামজা
চৌধুরী, শমিত সোম, জামাল ভূঁইয়া, রাকিব হোসেন, শুকি ইতোফুসা ও শেখ মোরসালিন।



