অ্যানফিল্ড মাতিয়ে এনগুমোহার আগমনী বার্তা

সংগৃহীত ছবি
লিভারপুলের অন্যতম উজ্জ্বল তরুণ প্রতিভা হিসেবে তার নামটা আগে থেকেই ছিল আলোচনায়। অ্যানফিল্ডে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে লিভারপুলের রিও এনগুমোহা যে জাদু দেখালেন, তাতে বুঝিয়ে দিলেন, তার তারকা হওয়ার সময়টা এসেই গেছে।
ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে যখন লিভারপুলের অনুপ্রেরণার খুব বেশি প্রয়োজন, ঠিক তখনই ত্রাতা হিসেবে এলেন ১৮ বছর বয়সী এনগুমোহা। দুটি দারুণ অ্যাসিস্টে লিভারপুল ৪-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচ শেষে এনগুমোহা বলেন, ‘আমি আজকের রাতটা দারুণ উপভোগ করেছি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ম্যাচে প্রভাব রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ দুটি অ্যাসিস্ট এবং দলকে তিন পয়েন্ট অর্জনে সাহায্য করতে পেরেছি। এর চেয়ে বেশি চাওয়ার কিছু নেই।‘
চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে লিভারপুলের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে অ্যাসিস্ট করার রেকর্ড গড়েছেন এনগুমোহা। রেকর্ড গড়ে উচ্ছ্বসিত এই তরুণ, ‘লিভারপুল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাব, আর আমার এই রেকর্ড গড়াটা সত্যিই বিশেষ কিছু।‘
অ্যানফিল্ডের সমর্থকরা ম্যাচের প্রথম আধা ঘণ্টা লিভারপুলকে একের পর এক ভুল করতে দেখেছিল। এর পরই ১৮ বছর বয়সী এনগুমোহার জাদুকরী ফুটবল উপভোগ করেছেন তারা।
অ্যামাজন প্রাইমের সম্প্রচারে লিভারপুলের সাবেক স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল স্টারিজ বলেন, ‘বলের ওপর এই ছেলেটির দারুণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এটি এমন কিছু যা শেখানো যায় না। বল পায়ে সে যা করে, তা সম্পূর্ণ ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভা।‘
এর আগেও লিভারপুলের হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন এনগুমোহা। গত বছরের এপ্রিলে ১৭ বছর বয়সে অ্যানফিল্ডে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে ক্লাবের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হন তিনি। এরও আগে, ২০২৫ সালের আগস্টে ১৬ বছর বয়সে নিউক্যাসলে গোল করে তিনি দলের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ড গড়েছিলেন।



