বায়ার্নকে আটকাল আর্সেনাল, রিয়াল-কোমোর উড়ন্ত জয়

লাইপজিগকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল। ছবি: সংগৃহীত
জয়ে ফেরা হল না বায়ার্ন মিউনিখের। চ্যাম্পিয়নস লিগে আগের ম্যাচেই ভাইকিংয়ের মাঠ ড্র করেছিল তারা। বুধবার নিজেদের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় আর্সেনালের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করল জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।
বার্সেলোনা এল ক্লাসিকোর আগে পিএসজির কাছে হারলেও জয়ে প্রস্তুতি সেরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। লাইপজিগকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে তারা।
ফল
ইন্টার মিলান ১ : ০ শাখতার দোনেৎস্ক
লিল ২ : ৪ গালাতাসারাই
স্পোর্তিং ২ : ৩ লাস্ক
বায়ার্ন মিউনিখ ২ : ২ আর্সেনাল
অ্যাস্টন ভিলা ৩ : ১ ভাইকিং
রিয়াল বেতিস ১ : ০ ফেইনুর্ড
ক্লাব ব্রুগা ৩ : ০ লাঁস
রিয়াল মাদ্রিদ ৪ : ১ লাইপজিগ
কোমো ৪ : ১ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
ইতালিয়ান বিস্ময় কোমো ৪-১ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইডেটকে।
দুই গোল ও এক অ্যাসিস্টে কোমোর জয়ের নায়ক আর্জেন্টাইন প্লেমেকার নিকো পাস। এছাড়া ইন্টার মিলান ১-০ গোলে জয় পেয়েছে শাখতার দোনেৎস্কের সঙ্গে।
বায়ার্ন ২ : ২ আর্সেনাল
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন গোলের জন্য ১৩টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখে পাঁচটি। আর্সেনালেরও ১৪ শটের লক্ষ্যে ছিল পাঁচটি । দশম মিনিটে পেশিতে টান লাগায় মাঠ ছাড়েন আর্সেনালের বুকায়ো সাকা। বদলি নামেন এবেরেচি এজের।
২৫ মিনিটে সেই এজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। নিজেদের অর্ধ থেকে উঁচু করে বাড়ানো মার্টিন ওডেগার্ডের বল বক্সে ঢুকে প্রথম স্পর্শে বাঁ পায়ের শটে জালে জড়ান তিনি।
৩৫তম মিনিটে হ্যারি কেইনের পাস বক্সে পেয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান আলফোনসো ডেভিস। চলতি মৌসুমে এটি কেইনের সপ্তম অ্যাসিস্ট।
৬১ মিনিটে কেইনের পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। আর্সেনালের ইয়ুরিয়েন টিম্বারের হাতে বল লাগলে ভিএআরে পেনাল্টি দেন রেফারি। তবে ৮২ মিনিটে ডেকলান রাইসের গোলে ২-২ সমতায় মাঠ ছাড়ে দুই দল।
এই ড্রতে ৭ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল। ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৪ নম্বরে আছে বায়ার্ন।
রিয়াল মাদ্রিদ ৪ : ১ লাইপজিগ
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে বুন্দেসলিগার ক্লাব লাইপজিগের বিপক্ষে রিয়াল জিতেছে ৪-১ গোলে। একটি করে গোল বের্নার্দো সিলভা, আর্দা গুলের, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ইয়ান দিওমান্দের। এটা চ্যাম্পিয়নস লিগে তিন ম্যাচ টানা তৃতীয় জয় রিয়ালের। ৯ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে তারা।
৪৩ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় রিয়াল। ফেদে ভালভের্দের কাটব্যাক পেয়ে জোরাল শট নেন গুলের, যা গোলরক্ষক ঠেকালেও তার পায়ের নিচ দিয়ে বেরিয়ে যায় বল। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে টোকায় বল জালে জড়ান সিলভা। রিয়ালের জার্সিতে এটি পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের প্রথম গোল।
জুড বেলিংহামের ক্রস থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পের হেডে বল পেয়ে ৫২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গুলের। ৮৩ মিনিটে ইয়ান দিওমান্দের পাস থেকে বাঁকানো শটে রিয়ালকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। চলতি মৌসুমে এটি তার ১২ ম্যাচে ১২তম গোল।
এরপর লাইপজিগের হয়ে তিদিয়াম গোমিস এক গোল ফেরালেও ৮৭ মিনিটে ব্যবধান ৪-১ করেন দিওমান্দে।



