র্যাংকিংয়ে উন্নতিই ডুলির বড় লক্ষ্য

ছবি: আগামীর সময়
দীর্ঘ সময় ধরেই ফিফা র্যাংকিংয়ের তলানিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। কোচ আসে কোচ যায়, র্যাংকিংয়ে আর এগোতে পারে না জামাল ভূঁইয়ারা। আজ বাংলাদেশ দল পেল নতুন কোচ। দায়িত্ব নিয়ে থমাস ডুলি বলছেন, বাংলাদেশকে র্যাংকিংয়ের ওপরের দিকে আনাই তার বড় লক্ষ্য।
এ মুহূর্তে র্যাংকিংয়ে ১৮১তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। ১৯৯৬ সালের এপ্রিলে নিজেদের সেরা র্যাংকিং ছুঁয়েছিল লালা সবুজরা। ১১০ নম্বরের সেই র্যাংকিং বহু বছর ধরেই ছুঁতে পারেনি দল। নামতে নামতে ২০১৭ সালে ১৯৭তম অবস্থানেও চলে গিয়েছিল বাংলাদেশ।
ডুলি বলেছেন, ‘তার লক্ষ্য র্যাংকিংয়ে ১৬০ এর ঘরে পৌঁছান, ‘আমার লক্ষ্য হলো র্যাংকিংয়ে ১৬০ বা ১৫০-এর মধ্যে চলে আসা। এটা রাতারাতি হবে না। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এ নিয়ে আমি একটা বইও লিখেছি— ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট সাকসেস ইন সকার দ্যাট নো ওয়ান টিচেস’ (ফুটবলে সাফল্যের সেই সত্য যা কেউ শেখায় না)। সেখানে চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে এবং তার একটি হলো মানসিকতা। আর মানসিকতা হুট করে বদলায় না, এটা হলো আপনার চিন্তা করার ধরন। আমাদের ফুটবল নিয়ে ভাবতে হবে এবং আমাদের কী করা দরকার তা বুঝতে হবে, তাহলেই আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারব। লক্ষ্যটা বাস্তবসম্মত হতে হবে। ১৬০ এর নিচে নামাটা বাস্তবসম্মত। তবে তা আগামীকালই সম্ভব নয়, হয়তো এক বছরের মধ্যে সম্ভব।’
বাংলাদেশ ফুটবল দলের বাস্তবসম্মত লক্ষ্য কী হতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে ডুলি জানালেন, ‘বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হলো দলটিকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যাতে তারা আরও বেশি নজর কাড়তে পারে এবং সুন্দর ফুটবল খেলতে পারে। আমি ফুটবল খেলতে পছন্দ করি, বলের পেছনে দৌড়াতে পছন্দ করি না। আমি আমার খেলোয়াড়দেরও এটাই বলছি। বল তাড়া করা জিনিসটা আমি পছন্দ করি না। কারণ তখন আপনাকে শুধু শুধুই দৌড়াতে হয় বলটি ফিরে পাওয়ার জন্য, আর অধিকাংশ সময় আপনি বল ফেরতও পান না। আমি ফুটবল পায়ে রেখে খেলতে পছন্দ করি। আর আমি খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করতে চাই, কারণ কোনো কিছু পেতে হলে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে।’






