চ্যাম্পিয়নস লিগ
বার্নাব্যুতে বারবার আটকায় বায়ার্ন

ইউরোপিয়ান দুই জায়ান্টের মুখোমুখিতে লড়াইটা হবে ভিনিসিয়ুস ও হ্যারি কেইনেরও। ছবি: সংগৃহীত
‘সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ৯০ মিনিট অনেক লম্বা সময়’- কথাটা ইউরোপিয়ান ফুটবলে প্রায়ই শোনা যায়। রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ প্রতিপক্ষের জন্য হয়ে ওঠে মৃত্যুকূপ। এ মাঠেই চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে রিয়ালের মুখোমুখি বায়ার্ন মিউনিখ। হাইভোল্টেজ ম্যাচটির আগে জার্মান কিংবদন্তি অলিভার কান বলছেন, ‘বার্নাব্যুতে রিয়াল সমর্থকদের চাপ সামলানো বেশ কঠিন হবে বায়ার্নের জন্য।’
বার্নাব্যুতে বায়ার্নের সাম্প্রতিক রেকর্ডও সুখকর নয়। মাদ্রিদে সবশেষ চার ম্যাচে একবারও জয়ের মুখ দেখেনি জার্মান ক্লাবটি, যার তিনটিতেই হার। বিশেষ করে, সর্বশেষ দুটিতে জয়ের খুব কাছে গিয়েও শেষ মুহূর্তে হারতে হয়েছিল বাভারিয়ানদের।
আবারও সেই বার্নাব্যুতে রিয়ালের মুখোমুখি বায়ার্ন। লড়াইটা এবার কোয়ার্টার ফাইনালের। সাম্প্রতিক ইতিহাস বলছে, চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের মাঠে আরও ভয়ঙ্কর রূপে দেখা দেয় লস ব্লাঙ্কোস। দর্শক সমর্থন উজ্জীবিত করে রাখে ভিনিসিয়ুসদের। শেষ ষোলোর লড়াইতেই যেমন ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল রিয়াল।
সেই বার্নাব্যুর ৯০ মিনিট বায়ার্নের জন্য স্বস্তির হওয়ার কথা নয়। ব্যাপারটা খুব ভালো মতো বুঝেছেন ক্লাবটির কিংবদন্তির গোলকিপার কান। বার্নাব্যুতে বায়ার্নকে কেমন পরীক্ষায় পড়তে হবে, সেটির ধারণা দিয়েছেন তিনি, ‘বার্নাব্যুর ৯০ মিনিট অন্য যেকোনো স্টেডিয়ামের চেয়ে ক্লান্তিকর। এই মাঠের দর্শক বার্সেলোনার চেয়েও বেশি উজ্জীবিত থাকে। তারা সবসময় আপনাকে হতাশ করার চেষ্টা করবে।’
রিয়ালের ছাদঢাকা স্টেডিয়াম আরও ভয়ঙ্কর। বড় ম্যাচ হলেই ঢেকে দেওয়া হয় বার্নাব্যু। এই স্টেডিয়ামের অতীত অভিজ্ঞতায় কানের সতর্কবার্তা, “স্টেডিয়ামের এই পরিবেশটা আরও ভয়ঙ্কর। এখন স্টেডিয়ামের ছাদ বন্ধ রাখা হয়, সেটা সফরকারীদের জন্য আরও বেশি কঠিন।’
বার্নাব্যুতে রিয়ালকে হারানোর স্মৃতি বায়ার্নের অনেক পুরোনো। সবশেষ ২০১২ সালে রিয়ালের মাঠ থেকে জিতে ফিরেছিল জার্মান ক্লাবটি। সেবার অবশ্য টাইব্রেকার ভাগ্য এসেছিল তাদের পক্ষে।
বুধবার রাতে রিয়াল-বায়ার্ন মহারণের প্রথম লেগ। ১৪ বছর পর বার্নাব্যুর ভাগ্য আবার বায়ার্নের পক্ষে যায় কিনা, সেটাই দেখার।















