ইসা ফয়সাল
শেষ পর্যন্ত দল ভালো করুক এটাই চাওয়া

শেষ মুহূর্তে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দল থেকে বাদ পড়েছেন ইসা ফয়সাল। থমাস ডুলি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমনটাই ঘটছে বারবার। বলির পাঁঠা হতে হচ্ছে এই লেফট ব্যাককে। অথচ ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় রাইট ব্যাক পজিশনে খেলা রহমত মিয়াকে কোচ নিয়েছেন লেফটব্যাক পজিশনে। দলের অপর লেফট ব্যাক জায়ান আহমেদও কোচের চোখে ইসার চেয়ে এগিয়ে। ফিফা আসিয়ান কাপের দলেও শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েন তিনি।
এভাবে বারবার বাদ পড়ায় কিছুটা হতাশ তো বটেই, তবে নিজের কষ্ট চেপে ঘরের মাঠের সাফে দলের জন্য অফুরান শুভকামনা জানিয়েছেন পুলিশ এফসির অধিনায়ক। ইশাকে মূলত বাদ পড়তে হয়েছে পরে ডাক পাওয়া দুই ডিফেন্ডারকে চূড়ান্ত দলের জায়গা দিতে। শুরুতে ঘোষিত ২৮ সদস্যের দলে ছিলেন না রাইট ব্যাক তাজ উদ্দিন ও সেন্ট্রাল ব্যাক ওমর আব্দুল্লাহ। ক্যাম্প শুরুর দুদিন পর তাদের ডেকে নেন কোচ। ইসাকে অবশ্য আগেই সাফ দলে রাখার নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন থমাস ডুলি। ইসারা আক্ষেপটা এখানেই, ‘যদি পারফরমেন্স ও ফিটনেস এর সমস্যার কারণে বাদ পড়তাম কষ্ট পেতাম না। আসিয়ান কাপের আগে কোচ ডেকে বলেছিলেন তুমি সাফের জন্য প্রস্তুতি নাও। তিনি আমাকে সান মারিনোর বিপক্ষে খেলিয়েছিলেন। সে ম্যাচে আমার পারফরম্যান্স খারাপ ছিল না। লিগেও ভালোই খেলছিলাম। আশা ছিল ঘরের মাঠে সাফ খেলব। অথচ শেষ মুহূর্তে বাদ পড়লাম। তারপরও দলের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা থাকছে। দল যদি সাফ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে অনেক খুশি হব। আমার হয়তো নসিবে ছিল না তাই বাদ পড়েছি। তবে চেষ্টা থামবে না।’
ক্যাম্প শুরুর দিন কোচ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যারা ডাক পেয়েছেন, তাদের উপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আরো জানিয়েছিলেন সাফের নিয়মের কারণে এই তালিকায় পরিবর্তন আনার সুযোগ নেই। অথচ তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের কথা রাখতে পারলেন না। লেটব্যাক পজিশনে গত কয়েক বছরে দেশের অন্যতম সেরা ইসাকে বানালেন বলির পাঁঠা।
এদিকে, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের দুই প্রতিপক্ষ ভুটান ও শ্রীলঙ্কা এর মধ্যেই ঢাকা এসে পৌঁছেছে। ভুটান এসেছে গতকাল, শ্রীলঙ্কা আজ। খানিক বাদে ঢাকায় নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত দল। বৃহস্পতিবার ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে স্বাগতিক বাংলাদেশের ২৩ বছর পর ফিরে আক্ষেপ ঘোচানোর মিশন। সেদিনই প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত। সাফের সব ম্যাচই হবে ঢাকা স্টেডিয়ামে।





