ভালো নেই আবাহনীর হারুন

আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ অনেক দিন ধরেই অসুস্থ। গত বৃহস্পতিবার থেকে তাকে রাখা হয়েছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। কিনডিসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হারুন বর্তমানে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার সুস্থতা কামনায় আবাহনীর সাবেক-বর্তমান সব ক্রীড়াবিদ, সংগঠক, সমর্থক থেকে শুরু করে ক্রীড়াঙ্গনের শুভানুধ্যায়ীর কাছে দোয়া চেয়েছেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের সদস্যরা।
হারুনের শারীরিক অবস্থা জানিয়েছেন তার সহধর্মিণী জেবুন নেসা হারুন, ‘ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়মিত তার ডায়ালাইসিস চলে। কদিন আগেই রুটিন চেকআপ করিয়ে নিয়েছিলাম। তখন এক মাস পর ফলোআপে আসতে বলেছিলেন। হঠাৎ করেই কোনো একটা ভাইরাস আক্রমণ করলে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বৃহস্পতিবার আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকরা প্রথমে অস্ত্রোপচারের কথা বলেছিলেন। পরে অবশ্য শারীরিক অবস্থা ও বয়স বিবেচনা করে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আজ অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে ভিজিটরদের আসতে বারণ করেছেন। আরেকটু উন্নত হলে তাকে কেবিনে স্থানান্তরিত করা হবে বলে জানিয়েছেন। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’
১৯৪৯ সালের ৩১ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুরে জন্ম নেওয়া হারুনুর রশিদ জীবনের বড় সময়টাই কাটিয়েছেন আবাহনী ক্লাব ও ফুটবল নিয়ে। আবাহনী ক্লাবকে এ পর্যায়ে নিয়ে আসতে তার ছিল বড় অবদান। এ ছাড়া বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পাঁচবারের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ফুটবলে দীর্ঘ অবদানের জন্য এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, ভূষিত হয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতিও ছিলেন। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) তার হাতে তুলে দেন কায়সার সিনহা সংগঠক পুরস্কার।
এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে
হারুনের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন আবাহনীর সাবেক তারকারা। যাদের অন্যতম
শেখ আশরাফ আলী, খোরশেদ আলম বাবুল, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু , দেওয়ান শফিউল আরেফিন
টুটুল, আব্দুল গাফফার, কাজী আনোয়ার, ইমতিয়াজ সুলতান জনি, শেখ মোহাম্মদ আসলাম, সত্যজিৎ
দাস রুপু, সম্রাট হোসেন এমিলি, শেখ মাসুদ ইকবাল মামুন, আলমগীর হোসেন, জাকির হোসেন,
গোলাম গাউস, ইকবাল হোসেন, শহীদ হোসেন স্বপন, নজরুল ইসলাম, প্রাণতোষ, সাজ্জাদুল আলম
ববি, জালাল ইউনুস, গাজী আশরাফ হোসেন লিপু, জি এস হাসান তামিম, ডা. ফারুক আহমেদ।




