নাইটহুড
‘স্যার হ্যারি কেইন’ শুনতে দারুণ লাগে

২৫ বছর পর প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতে স্যার ববি চার্লটন, কেভিন কিগান, মাইকেল ওয়েন ও স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউসের মতো কিংবদন্তিদের পাশে বসেছেন হ্যারি কেইন। নিজ শহর লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে ফুটবলের সেরা ব্যক্তিগত পুরস্কারটি উঁচিয়ে ধরার পর থেকেই ব্রিটেনে তাকে সর্বোচ্চ রাজকীয় সম্মাননা ‘নাইটহুড’ দেওয়ার গুঞ্জন জোরদার হয়েছে।
বুধবার রাতে জার্মান কাপে মাগদেবার্গের বিপক্ষে বায়ার্ন মিউনিখের ৬-১ গোলের বড় জয়ের পর মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেইন। ম্যাচটিতে বিশ্রাম পাওয়া কেইনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ‘স্যার হ্যারি কেইন’ শোনার অনুভূতি কেমন? জবাবে হাসতে হাসতে কেইন বলেন, ‘আমাকে যদি নাইটহুড দেওয়া হয়, আমি অবশ্যই না করব না। তবে দেখুন, দেশে ও জার্মানি সহ সারা বিশ্বের মানুষ যেভাবে আমাকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন, তার জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। এটি সত্যি হলে তা হবে আমার জন্য চরম এক গর্বের মুহূর্ত। তবে এ নিয়ে এখনই আবেগে ভাসতে চাই না। স্যার হ্যারি কেইন শুনতে দারুণ লাগে। তবে সবাই আমাকে স্যার বলে ডাকলে আমার নিজেরই বেশ অদ্ভুত লাগবে! তাই আপাতত এটি কেবল হ্যারি নামেই রাখা যাক।’
ব্যালন ডি’অর জয়ের উৎসবে বেশি মেতে ওঠার কারণেই কি মাগদেবার্গের বিপক্ষে তাকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়েছিল—এমন প্রশ্নে ৩৩ বছর বয়সী স্ট্রাইকার বলেন, ‘না, আমি তেমন কোনো বড় পার্টি করিনি। আমি খেলার মতো ফিট ছিলাম। তবে ব্যালন ডি’অরের আগেই কোচ আমাকে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। কারণ গত ৬ সপ্তাহে আমি প্রচুর ম্যাচ খেলেছি। সতীর্থরা মাঠে নেমে দুর্দান্ত খেলেছে। ম্যাচের মাঝপথে আমাকে নামানোর পরিকল্পনা থাকলেও আমরা চতুর্থ গোল করে ফেলার পর আর প্রয়োজন পড়েনি। সোমবারের সেই আবেগঘন মুহূর্তের পর এই বিশ্রামটা বেশ দরকারি ছিল। শনিবার আমাদের আরেকটি বড় ম্যাচ রয়েছে, কাল থেকেই তার প্রস্তুতি শুরু করব।’
জার্মান কাপের ম্যাচ শেষে এবার কেইনের নজর বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে আসন্ন হাইভোল্টেজ ডের ক্লাসিকা ম্যাচের দিকে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা দুই দলের এই দ্বৈরথকে মৌসুমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হিসেবে দেখছেন এই গোলমেশিন। গত কয়েক দিনের উদযাপনের সমাপ্তি টেনে শনিবারের ডর্টমুন্ড ম্যাচটি জিতেই সপ্তাহটি স্মরণীয় করে রাখতে চান বর্ষসেরা এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।




