সুখি ইতোফুসা
জাতীয় দলের জার্সিতে খেলা আমার ছোটবেলার স্বপ্ন

ছবি: বাফুফে
গতকাল জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়েছে সুখি ইতোফুসার। অভিষেকের পর নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টির পাশাপাশি আরও উন্নতির প্রত্যয় জানিয়েছেন এই ফুটবলার।
প্রশ্ন: গতকাল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে, নিজেকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
সুখি ইতোফুসা: ছোটবেলা থেকেই জাতীয় দলের জার্সি পরা এবং সেই জার্সিতে মাঠে খেলা আমার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। গতকালের ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে বললে, এখনও কিছু জায়গায় আমার উন্নতি করার প্রয়োজন আছে। আমি আমার ফিটনেস ও কন্ডিশন আরও উন্নত করতে কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। পাশাপাশি গোল করা বা অ্যাসিস্ট করার মাধ্যমে দলের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে চাই।
প্রশ্ন: ভেবেছিলেন প্রথম ম্যাচেই লাল-সবুজ জার্সি পরে মাঠে নামবেন?
সুখি ইতোফুসা: আমি আসলে কখনো এভাবে ভাবিনি যে গতকালই আমার অভিষেক হয়ে যাবে। তবে আমি দেশের জন্য লড়তে প্রস্তুত ছিলাম।
প্রশ্ন: আপনার সতীর্থরা জাপানিজ বলতে পারে না, তাদের সঙ্গে কীভাবে কমিউনিকেশন করেন?
সুখি ইতোফুসা: আমি জানি যে তারা জাপানিজ বলতে পারে না। তবে আমার সতীর্থরা ইংরেজি বা সহজ কিছু ইশারা-ইঙ্গিত ব্যবহার করে যতটুকু আমি বুঝতে পারি। এছাড়াও কিছু সতীর্থ সবসময় আমার খেয়াল রাখে এবং আমার সঙ্গে কথা বলে। তাই এখন আমি মোটামুটি একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি। সময়টা খুব উপভোগও করছি। কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
প্রশ্ন: দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে আছেন তাদের মিস করেন? এবার তো মনে হয় সবচেয়ে বেশি সময় পরিবার থেকে দূরে?
সুখি ইতোফুসা: পরিবার থেকে দূরে থেকে আমি যদি সফল হতে পারি, তাহলে সেটা আমার পরিবার এবং আরও অনেক মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে আনে। তাই আমি মনে করি, পরিবার থেকে দূরে থাকাটা কোনো সমস্যা নয়।
প্রশ্ন: বাসায় কেউ বাংলায় কথা বলে?
সুখি ইতোফুসা: শুধু আমার বাবা বাসায় বাংলায় কথা বলেন। বাসায় বাকি সদস্যরা মানে আমরা জাপানিজ ভাষাতেই কথা বলি।



