‘মধুর সমস্যা’ -টাই নাজমুলের কাছে ভালো

উইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টের আগে বেশ আগ্রহ নিয়ে পিচের কন্ডিশন জেনে নিচ্ছেন শান্ত। ছবি: মোশারফ হোসেন
বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিটে এখন প্রতিযোগিতা বেশ তীব্র। হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের মতো পেসাররা সেরা একাদশের অংশ। এর সঙ্গে নাহিদ রানা (আপাতত ইনজুরিতে), ইবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদদের নিয়ে একাদশ সাজানোর সুযোগ থাকায় অধিনায়কের সামনে রয়েছে একাধিক বিকল্প। তবে এটিকে ‘মধুর সমস্যা’ বলতে নারাজ অধিনায়ক। বরং পেসারদের প্রস্তুতি ও কন্ডিশন অনুযায়ী যেকোনো সময় যে কাউকে খেলানোর সুযোগকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি।
পেস বোলারদের নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অধিনায়ক বলেন, ‘মধুর সমস্যা বা সমস্যা না—এটা আসলে বলতে চাই না। কারণ পেস বোলাররা জানে যে কে কখন খেলবে এবং তারা খুবই ক্লিয়ার, কোন কন্ডিশনে কখন কে খেলবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ দলে পেস বোলিংয়ে একাধিক বিকল্প তৈরি হয়েছে। আগের টেস্টে হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ ছিলেন না। এবার স্কোয়াডে আছেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিনও। ফলে পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিং আক্রমণ সাজানোর স্বাধীনতা পাচ্ছে দল।
অধিনায়কের মতে, সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো স্কোয়াডে থাকা প্রতিটি পেসারই ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত থাকেন। তিনি বলেন, ‘খুব ভালো জিনিস যে তারা প্রত্যেকটা সিরিজের জন্য যারা স্কোয়াডে থাকে, প্রত্যেকটা ম্যাচ খেলার জন্য রেডি থাকে। প্রিপারেশন ওয়াইজ তারা খুব ভালো অবস্থানে সবসময় থাকে।’
এদিকে টেস্টের মিডল অর্ডারে অভিজ্ঞ ব্যাটারদের পাওয়াকেও স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে টেস্ট খেলা ব্যাটাররা নিজেদের দায়িত্ব ও ভূমিকা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন।
‘আপনি যখন দেখবেন যে মাঝখানে এক্সপেরিয়েন্সড ব্যাটাররা ব্যাটিং করছে, অনেক বছর ধরে খেলছে—অবশ্যই এটা ভালো লাগার বিষয়। ক্যাপ্টেন হিসেবে আমার মনে হয়, এটা অবশ্যই স্বস্তির একটা জায়গা। কারণ এক্সপেরিয়েন্সড ব্যাটার থাকলে তারা তাদের খেলাটা জানে, তাদের রোলটা আরও ভালোভাবে পালন করতে পারে,’ বলেন তিনি।
অভিজ্ঞ ব্যাটারদের পাশাপাশি পেস বোলিংয়ে একাধিক কার্যকর বিকল্প—দুই দিক থেকেই দল এখন আগের চেয়ে বেশি স্বস্তিতে আছে বলেই মনে করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার মতে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘যেকোনো সময় যেকোনো কাউকে’ ম্যাচের জন্য বেছে নেওয়ার মতো অবস্থানে রয়েছে দল।’



