গেবেখা টেস্ট
তুমুল লড়াই শেষে ইনিংস ব্যবধানে হারল অস্ট্রেলিয়া

তুমুল লড়াই করেও শেষ রক্ষা হলো না অস্ট্রেলিয়ার। ফলোঅন থেকে বাঁচতে প্রয়োজন ছিল আর মাত্র ৩১ রানের। লেজের ব্যাটারদের নিয়ে মরণপণ প্রতিরোধ গড়ে তুললেন অ্যালেক্স ক্যারি। ম্যাচ ড্র করতে হলেও খেলতে হতো তৃতীয় সেশনের প্রায় পুরোটাই। শেষ পর্যন্ত কোনোটাই সম্ভব হলো না। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ইনিংস এবং ৩১ রানে হেরে গেল প্যাট কামিন্সের দল। তিন ম্যাচ সিরিজে এলো ১-১ সমতা। ৪ উইকেট নিয়ে ধ্বংসলীলা চালালেন কাগিসো রাবাদা।
সেইন্ট জর্জ পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। ১১০ রানে ৬ উইকেট হারানো দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ পর্যন্ত তাদের প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ৯ উইকেটে ৪২৫ রান। ১৭৯ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেছিলেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। ৩৩৪ বলে ১৮টি চার ও ১টি ছক্কায় মহাকাব্যিক ইনিংসটি দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ইতিহাসে ঘরের মাঠে কোনো অধিনায়কের চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। পাশাপাশি দুই বোলার মার্কো ইয়ানসেন (৮৫) এবং সিমন হারমারও (৮২) দারুণ দুটি ইনিংস উপহার দেন।
জবাবে মার্কো ইয়ানসেনের
আগুনে বোলিংয়ে অজিদের প্রথম ইনিংস মাত্র ৯৯ রানে গুটিয়ে যায়। ইয়ানসেন মাত্র ৩৩ রানে
শিকার করেন ৫ উইকেট। সুযোগ পেয়ে অজিদের ফলোঅন করায় স্বাগতিকরা। চতুর্থ দিনে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৩ উইকেট হারায় অজিরা। দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের
ব্যাটিংয়ের উন্নতি হলেও তা ম্যাচ বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। ওপেনার ট্রাভিস হেড ৩০৪
মিনিট ক্রিজে থেকে ১৯০ বলে ১২১ রানের ইনিংস খেলেন। মিডল অর্ডারে স্কট বোল্যান্ড ১৬৬
বলে করেন ৪০ রান।
আজ বৃহস্পতিবার ৪ উইকেটে ১৫৬ রান নিয়ে পঞ্চম দিন শুরু করে অজিরা। ট্রাভিস হেডকে ফিরিয়ে দিনের সূচনা করেন উইয়ান মুল্ডার। এছাড়া বোল্যান্ডের প্রতিরোধও ভাঙেন এই পেস বোলিং অল-রাউন্ডার। ম্যাট রেনশ (১১), বিউ ওয়েবস্টার (৮), স্টিভেন স্মিথ (৩) এবং অধিনায়ক কামিন্স (৪) ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন। শেষ সেশনের শুরুতে জস হ্যাজেলউডকে (০) ফিরিয়ে প্রোটিয়াদের উল্লাসে ভাসান মার্কো ইয়ানসেন। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে কেপটাউনে শুরু হবে সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ টেস্ট।




