ব্র্যাডম্যান-হেডলির পরই শান্ত, ভেঙেছেন মুশফিকের রেকর্ড

ফিফটিতে সেঞ্চুরিতে পরিণত করার হারে ব্র্যাডম্যান-হেডলির পরই শান্ত। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম থেকে মিরপুর। সাদা বলের ওয়ানডে থেকে লাল বলের টেস্ট। ভেন্যু আর খেলার ফরম্যাট বদলালেও নাজমুল হোসেন শান্ত আছেন একই ছন্দে। চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছিলেন শান্ত। এরপর আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম ইনিংসেও করলেন সেঞ্চুরি।
এই সেঞ্চুরিতে ডন ব্র্যাডম্যান, জর্জ হেডলির পর ফিফটিকে তিন অঙ্কে রূপান্তর করার হারে এখন বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত। আজ তিনি করলেন টেস্টে নবম সেঞ্চুরি। বিপরীতে তার ফিফটি ৫। অর্থাৎ ১৪ ফিফটি প্লাস ইনিংসের ৯টিই সেঞ্চুরি শান্তর। তার ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে রূপান্তরের হার ৬৪.২৯ শতাংশ, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ।
শান্তর সামনে রয়েছেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি জর্জ হেডলি। ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে রূপান্তরিত করার হার ব্র্যাডম্যানের ৬৯.০০ শতাংশ। ৪২টি ফিফটি প্লাস ইনিংসের ২৯টি সেঞ্চুরিতে পরিণত করেছেন ব্র্যাডম্যান। আর জর্জ হেডলি ১৫টি ফিফটি প্লাস ইনিংসের ১০টিকে পরিণত করেছেন সেঞ্চুরিতে, তার হার ৬৬.৭০ শতাংশ।
এই তালিকায় ব্র্র্যাডম্যান, হেডলি, শান্তর পর আছেন শিখর ধাওয়ান (৫৮.৩০), শুবমান গিল (৫৫.৬০) ও পিটার পারফিট (৫৩.৮০)।
নাজমুল সেঞ্চুরিতে পৌঁছেছিলেন আব্বাসকে দারুণ এক কাভার ড্রাইভে বাউন্ডারি মেরে। ড্রেসিংরুমের দিকে ব্যাট দেখিয়ে মাঠে কপাল ছুঁইয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এরপর।
এই সেঞ্চুরিতে শান্ত পেছনে ফেলেছেন মুশফিকুর রহিমের একটা রেকর্ড। ৯ সেঞ্চুরির মধ্যে শান্তর ৫টি এসেছে অধিনায়ক হিসেবে। অর্থাৎ নেতৃত্ব বাড়তি বোঝা হয়নি তার জন্য। বাংলাদেশি অধিনায়কদের মধ্যে সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরি এখন শান্তরই। অধিনায়ক হিসেবে মুশফিকুর রহিম ৪টি আর মুমিনুল হক করেছেন ৩ সেঞ্চুরি।
৪০ টেস্টের ক্যারিয়ারে শান্ত ২৩৯৯ রান করেছেন ৫৪.৩০ স্ট্রাইক রেটে। সেঞ্চুরির ইনিংসে তার স্ট্রাইক রেট বাড়ে আরও। তার ৯ সেঞ্চুরির ইনিংস মিলিয়ে স্ট্রাইক রেট ৬৪.৮১। আর আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট করেছেন ৭৭.৬৯ স্ট্রাইক রেটে। ‘বাজবল’ ক্রিকেটের মতো আক্রমণাত্মক না হলেও অশান্তই ছিল শান্তর ব্যাট।





