হাবিবুল বাশার
লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম তোলো

২০১০ সালের ইংল্যান্ড সফরে সেঞ্চুরি করে লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম তোলেন তামিম ইকবাল। ছবি: ক্রিকইনফো
ক্রিকেটের ঐতিহাসিক মাঠটিতে খেলার ইচ্ছা সব ক্রিকেটারের। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সেই সুযোগ খুব একটা নেই। সর্বপ্রথম ২০০৫ সালে সুযোগ এসেছিল লর্ডসে খেলার। এরপর ২০১০ সালে। ১৭ বছর পর আগামী বছর আবার ক্রিকেটের ঐতিহাসিক মাঠটিতে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ।
২০০৫ সালে লর্ডসে প্রথম খেলা বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বে ছিলেন হাবিবুল বাশার। ওই মাঠে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া তার কাছে ক্যারিয়ারের বিশেষ অর্জন। সেবার কোনো বাংলাদেশি মাঠের সম্মানসূচক অনার্স বোর্ডে সেঞ্চুরি বা ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে নাম তুলতে পারেননি। পরের সফরে এই সম্মান পেয়েছিলেন দুজন – শাহাদাত হোসেন ও তামিম ইকবাল।
আগামী বছর ইংল্যান্ডের সঙ্গে লর্ডস টেস্টে সেই মাইলফলক বর্তমান দলের সবার সামনে রাখলেন হাবিবুল, ‘লর্ডসে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। আমি নতুনদের বলব, এমন সুযোগ বারবার আসে না। তাই সবার উচিত অনার্স বোর্ডে নাম তুলে এই সুযোগকে স্মরণীয় করে রাখা। সেখানে আমাদের দুজন ক্রিকেটারের নাম আছে। আমি চাইবো এবার আরও একাধিক জনের নাম যেনো ওঠে।’
সময়ের সঙ্গে লর্ডসের কাঠামো বদলেছে। এখন আর প্রাচীন গ্যালারী নেই। শুধু ড্রেসিংরুমের অংশটাই ধরে রেখেছে অতীত ঐতিহ্য। কাঠামো বদলের সঙ্গে পিচের কন্ডিশনও বদলেছে। পেস নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে ইংল্যান্ডের পিচগুলো এখন ব্যাটিং নির্ভর।
হাবিবুল তাই বর্তমান বাংলাদেশ দলের ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে খুব অসুবিধা দেখছেন না, ‘ইংল্যান্ডের উইকেট এখন অনেক ব্যাটিং সহায়ক। আগে সিম-সুইং নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকতো। তবে সময়ের সঙ্গে ওখানে এখন দেখছি রান হয়। আমাদের ব্যাটাররা যে অভিজ্ঞতা রাখে তাতে এই কন্ডিশনে রান করা কঠিন হবে না। আর বোলিং দিক থেকে তো একটু নির্ভার থাকতেই পারি আমরা।’
২০০৫ ও ২০১০ ইংল্যান্ডে দুই সফরেই দলে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। লর্ডসে টেস্ট অভিষেক হয় তার। সেই অভিষেক ক্যাপ এখনও মুশফিকের মাথায় শোভা পাচ্ছে। বর্তমান দলের জন্য মুশফিকের উপস্থিতি বিশেষ সুবিধা বলে মনে করছেন হাবিবুল, ‘‘এটা খুব ভালো যে, গত দুটো সিরিজে ওই মাঠে খেলার অভিজ্ঞ একজন আমাদের দলে আছে। আশাকরি সে এবার খেলবে। তো লর্ডসে খেলার যে উত্তেজনা বা চাপ সেটা কীভাবে সামাল দিতে হয় সে ব্যাপারটা এই দলের বাকিরা মুশফিকের কাছে শিখতে পারে।’




