আইপিএল ফাইনাল
শিরোপা লড়াইয়ের আড়ালে ৪৬ কোটির পুরস্কার

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ট্রফির লড়াইয়ে নামছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং গুজরাট টাইটান্স। মাঠের এই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের পাশাপাশি ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে বড় কৌতুহল থাকে আইপিএলের প্রাইজমানি বা পুরস্কারের অঙ্ক নিয়ে। ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম আসরে যেখানে চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানি ছিল মাত্র ৪ কোটি ৮০ লাখ রুপি, সেখানে ২০২৬ সালে এসে এই পুরস্কারের অঙ্ক আকাশ ছুঁয়েছে।
আইপিএলে টাকার ওড়াওড়ি দিনে দিনে বেড়েই চলছে। বিসিসিআই সূত্রে জানা গেছে, চলতি আইপিএল ২০২৬ মৌসুমের জন্য মোট প্রাইজমানি বা পুরস্কারের পুঞ্জি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬ কোটি ৫০ লাখ রুপিরও বেশি। আজকের মেগা ফাইনালে যে দল শেষ হাসি হাসবে, তারা ট্রফির পাশাপাশি পাবে বিশাল অঙ্কের অর্থ পুরস্কার। তবে খালি হাতে ফিরবে না রানার্সআপ বা প্লে-অফে খেলা বাকি দলগুলোও। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২০ কোটি রুপি আর রানার্সআপ দল পাবে ১৩ কোটি। কোয়ালিফায়ার-২ এ বিদায় নেওয়া দল (তৃতীয় স্থান) পাবে ৭ কোটি রুপি। এলিমিনেটরে বিদায় নেওয়া দল (চতুর্থ স্থান) ৬.৫ কোটি রুপি পুরস্কার পাবে। টুর্নামেন্টে পঞ্চম থেকে দশম স্থানে থাকা দলগুলো বিসিসিআই থেকে সরাসরি কোনো প্রাইজমানি না পেলেও সম্প্রচার স্বত্ব, স্পন্সরশিপ এবং টিকিট বিক্রি থেকে তাদের আয়ের বড় অংশ নিজেদের পকেটে পুরবে।
দলীয় পুরস্কারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফর্মারদের জন্যও থাকছে মোটা অঙ্কের আর্থিক স্বীকৃতি। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক (অরেঞ্জ ক্যাপ) এবং সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী (পার্পল ক্যাপ) প্রত্যেকে পাবেন ১০ লাখ রুপি করে। এই মুহূর্তে ৭৭৬ রান নিয়ে অরেঞ্জ ক্যাপের মালিক রাজস্থান রয়্যালসের তরুণ তুর্কি বৈভব সূর্যবংশী। অন্যদিকে ২৮ উইকেট নিয়ে বেগুনি টুপির মালিক গুজরাট টাইটান্সের গতিদানব কাগিসো রাবাদা। আজ ফাইনালে তার উইকেট সংখ্যা আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকছে।
মৌসুমের ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ বা টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় পাবেন ১০ লাখ রুপি। আর তরুণ প্রতিভাদের অনুপ্রাণিত করতে ‘ইমার্জিং প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ বা উদীয়মান সেরা ক্রিকেটারের জন্য রাখা হয়েছে ২০ লাখ রুপি। অর্থের এই ঝনঝনানি আইপিএলৈর মাঠের লড়াইকে যে আরও কয়েক গুণ রোমাঞ্চকর করে তুলবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার বিষয়, ২০ কোটি রুপির এই সোনালি ট্রফি কার শোকেসে যায়।







