জাতীয় ক্রিকেট লিগ
শেষদিনে স্পিনারদের দাপট, নাসুম-রাকিবের পাঁচ উইকেট

সংগৃহীত ছবি
শুরুতে দলে জায়গা পাননি তিনি। মাঠে নেমেছেন সামিউন বশির রাতুলের বদলি হিসেবে। সেই সুযোগকে ভালো মতনই কাজে লাগিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার রাকিব হাওলাদার। জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) তৃতীয় রাউন্ডের শেষ দিনে তার ঘুর্নিতে জয় পেয়েছে খুলনা। এছাড়া জয় পেয়েছে রাজশাহী ও সিলেট বিভাগও। ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ম্যাচটি হয়েছে ড্র।
সিলেটে রংপুরকে ৩৭ রানে হারিয়েছে সিলেট। রংপুরের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩৭ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা। আগের দিন ৯৪ রানে অপরাজিত থাকা অমিত হাসান আজ আর সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারেননি। রংপুরের হয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন মো. আবু হাসিম।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে সিলেটের বোলারদের তোপে ১৭৩ রানেই গুটিয়ে যায় রংপুর। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন অনিক সরকার। সিলেটের নাসুম আহমেদ পাঁচটি এবং নাঈম আহমেদ চারটি উইকেট নেন। ৩৭ রানের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন সিলেটের স্পিনার নাঈম আহমেদ।
ময়মনসিংহের বিপক্ষে ড্র করেছে ঢাকা বিভাগ। প্রথম ইনিংসে ঢাকা অলআউট হয়েছে ৩৭৭ রানে। জয়ের জন্য লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৬৭ রান করেছে ময়মনসিংহ। ৯২ রান করে আউট হয়েছেন আরিফুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে দুই দলকে।
চট্টগ্রামের বিপক্ষে ১০ রানের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে খুলনা। জয়ের জন্য ২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬৪ রানে অলআউট হয়েছে চট্টগ্রাম। দলের হয়ে আগের দিন মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদিকুর রহমানের ব্যাটে লড়াইয়ের ভিত গড়লেও শেষ দিনে তা জয়ে রূপ দিতে পারেনি তারা। খুলনার হয়ে পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন রাকিব হাওলাদার। শেখ মেহেদি হাসানের শিকার চার উইকেট।
বরিশালের বিপক্ষে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে রাজশাহী। প্রথম ইনিংসে ৪৫৭ রান করে ইনিংস ঘোষণা করা রাজশাহীর সামনে দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশাল গুটিয়ে গেছে ২৭৪ রানে। বরিশালের ব্যাটিংয়ে ধস নামিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন রাজশাহীর পেসার শফিকুল ইসলাম। জয়ের জন্য ৪৬ রানের লক্ষ্য পেয়ে মাত্র ১০.৫ ওভারেই দুই উইকেট হারিয়ে তা পেরিয়ে যায় রাজশাহী।



