রোদ বৃষ্টির ফাঁকে ১১ উইকেট

৫৯ রানে শেষ ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ছবি: মোশারফ হোসেন
তাইজুল ইসলামের এক ওভারে জোড়া শিকার আর নাজমুল হোসেন শান্তর স্লিপে অসাধারণ একটি ক্যাচ। ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর ঢাকা টেস্টে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে ১৩৪, পিছিয়ে আছে ১৩৮ রানে।
আলো কমে আসায় ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনেও খেলা থামল আগেভাগে। দুপুরে এক পশলা বৃষ্টিতেও খেলা বন্ধ থাকল ঘণ্টাখানেকের মতো। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ, এখন পর্যন্ত একটা দিনও পুরো ৯০ ওভার খেলা হলো না। প্রথম দিনটা ছিল বোলারদের জন্য ব্যর্থতার, ৭৪ ওভার বল করে মাত্র ৩ উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন বোলাররা। দ্বিতীয় দিনে উল্টো ঘটনা। দুই দলের মিলিয়ে মোট ৭১.৪ ওভার খেলা হয়েছে, বাংলাদেশ খেলেছে ২৩.৩ আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলেছে ৪৮ ওভার। উইকেট পড়েছে ১১টি, বাংলাদেশের ৭ আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪। এই ১১ উইকেটের ভেতর বাঁহাতি স্পিনাররাই নিয়েছেন ৯টি, অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়েছেন ১টি আর পেসার হাসান মাহমুদ
দ্বিতীয় দিনে সকালেই অভিষিক্ত জশুয়া বিশপ যে বলে সাদমান ইসলামকে লেগবিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেললেন কিংবা জোমেল ওয়ারিকান যেভাবে মেহেদী হাসান মিরাজকে বোল্ড করলেন, তখনই প্রেসবক্সে বলাবলি যে, এই উইকেটে তাইজুলকে খেলা কঠিন হবে ক্যারিবীয়দের জন্য। ৩ উইকেটে ২১৩ রান থেকে বাংলাদেশ ২৭২ রানে অলআউট, ১৯ রানে শেষ ৪ উইকেটের পতন। রানটা সাড়ে তিনশর ওপরে হলে নির্ভার থাকা যেত।
হাসান মাহমুদের বলে ব্রেন্ডন কিং উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার পরও শঙ্কা কাটেনি। কারণ ভয়টা তাকে নিয়ে নয়।
ভারত সফরে ভালো ছন্দে থাকা আমির জাঙ্গু আর জাস্টিন গ্রিভসকে নিয়েই ভয়। এই দুজনেরই যে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশকে পেলেই চওড়া হয় ব্যাট। এদিকে জন ক্যাম্পবেলও হাফসেঞ্চুরি ছাড়িয়ে গেছেন। বৃষ্টিতে খানিকটা সময় বন্ধ থাকল খেলা, এরপরই বাংলাদেশ ফিরে পেল আগ্রাসী ভাবটা। মিরাজের বলে স্লিপে দারুণ ক্যাচ নিলেন শান্ত, ফেরালেন ক্যাম্পবেলকে। কাভেম হজও ফিরলেন তাইজুলের বলে সিলি পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে। একই ওভারে দুই বল পরে সুইপ করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ারে আমির জাঙ্গুও ক্যাচ দিলেন তানজিদ হাসানের হাতে। ৩০ মিনিটের ভেতর ৩ উইকেট হারিয়ে শেষবেলায় ব্যাকফুটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর অবশ্য বিপদ আর বাড়তে দেননি তেজনারায়ণ ও গ্রিভস। বাবা শিবনারায়ণ চন্দরপলের মতো একই ধাঁচে খেলা তেজনারায়ণ ১৪৫ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত। সঙ্গে



