শক্তিশালী বেঞ্চ চান মুশতাক

সংবাদ সম্মেলনে মুশতাক আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ দলের সব পরিকল্পনা এখন ওয়ানডে বিশ্বকাপকেন্দ্রিক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির জন্য যে দল দেওয়া হয়েছে, তাতেও সেই ছাপ। ২০২৭ বিশ্বকাপের দলে পেস বোলিং অলরাউন্ডার চাই। তাই টি-টোয়েন্টিতে নতুন মুখ আবদুল গাফফার সাকলাইন, সেই সঙ্গে ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট রিপন মন্ডল। তাদের টি-টোয়েন্টিতে তৈরি করে ওয়ানডের বেঞ্চ শক্ত করতে চায় বাংলাদেশ।
সম্প্রতি এ দুই পেস বোলিং অলরাউন্ডার দারুণ পারফর্ম করেছেন। ইমার্জিং এশিয়া কাপে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে এবং বিপিএলে রাজশাহী রয়্যালসের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন দুই তরুণ। ব্যাটিংয়ের সুযোগ খুব বেশি না পেলেও ইমার্জিং দলের হয়ে সাকলাইন একটি ইনিংসে ভালো করেছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে এ দুই পেস বোলিং অলরাউন্ডারকে বড় মঞ্চের জন্য তৈরি করতে চায় বাংলাদেশ।
স্পিনারদের সঙ্গে অনুশীলনে মুশতাক আহমেদ। ছবি: বিসিবি
শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এসে স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ ওয়ানডে নিয়ে পরিকল্পনায় জানিয়েছেন, ‘সহজ পরিকল্পনা— সাদা বলের ক্রিকেটকে শক্তিশালী করা। টি-টোয়েন্টি তরুণদের আত্মবিশ্বাস দেয়। নতুন কিছু খেলোয়াড় যেমন সাকলাইন, রিপন এসেছে। আমরা একই সঙ্গে ম্যাচ জিততে চাই এবং বেঞ্চ শক্তি তৈরি করতে চাই। টি-টোয়েন্টি থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও কাজে লাগবে।’
সিরিজ জিতলে ড্রেসিংরুমে ভালো পরিবেশ থাকে। নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ দলের পরিবেশ এখন ফুরফুরে। জয়ের ইতিবাচক দিকগুলো নতুনদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান মুশতাক, ‘জয়ের মধ্যে অনেক ইতিবাচক দিক থাকে, তবে কোচ হিসেবে আমরা সবসময় এক ভাগ উন্নতির জায়গা খুঁজি। শেষ তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জেতা বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর। টি-টোয়েন্টিতে নতুনদের জন্য এটা বড় প্ল্যাটফর্ম। আমরা চাই তারা নিজেদের প্রমাণ করুক এবং একই সঙ্গে বেঞ্চ স্ট্রেংথ শক্তিশালী হোক। বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে সবাই যেন ম্যাচ খেলে প্রস্তুত থাকে, সেটাই লক্ষ্য।’


