আট বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে যে লজ্জা বাংলাদেশের

বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬০ রান মুমিনুলের। ছবি: সংগৃহিত
সবশেষ ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টের কোনো ইনিংসে দেড়শ পার করা হয়নি বাংলাদেশের। ২০২৬ সালে সেই লজ্জা পেতে হল দেশটিতে সফরে গিয়ে। হারারাতে একমাত্র টেস্টে আগে ব্যাট করতে নেমে চা বিরতির আগে নাজমুল হোসেন শান্তরা অলআউট হয়েছেন ১৪০ রানে।
জিম্বাবুয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের টেস্টে সর্বনিন্ম দলীয় সংগ্রহ ১০৭ রান। ২০০১ সালের নভেম্বরে ঢাকায় হয়েছিল ওই কীর্তি। দ্বিতীয় সর্বনিন্ম দলীয় সংগ্রহ ১৩৪ রান হয়েছিল ২০১৪ সালে মিরপুরে। হারারেতে এবারের স্কোর দলটির সঙ্গে টেস্টে বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বনিন্ম দলীয় সংগ্রহ।
১৫০ রানের আগে বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের সঙ্গে সবশেষ অলআউট হয়েছিল আট বছর আগে, ২০১৮ সালে সিলেটে। এর আগে ২০১৩ সালে আরও একবার ১৪৭ রানে অলআউট হওয়ার ঘটনা আছে হারারেতে।
বাংলাদেশের জন্য এবারের ব্যর্থতা নতুন লজ্জা। সম্প্রতি ঘরের মাঠে টেস্টে পরপর দুই সিরিজে আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তানকে হারিয়েছিল দেশের মাটিতে। এর আগে পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করার সাফল্যও ছিল। এমন অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে টেস্ট দলের এমন অবস্থা নতুন লজ্জাই বটে।
হারারেতে পেস সহায়ক উইকেটে টস জিতে বোলিং নিতে ভুল করেননি জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ব্লেসিং মুজারাবানি। এমন উইকেটে আগে ব্যাটিং করা চ্যালেঞ্জিং বলেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সেই চ্যালেঞ্জটা বেশ ভালো ভাবে টের পেলেন নাজমুলরা একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জে হেরেও গেলেন।
সর্বোচ্চ ৬০ রান এসেছে মুমিনুল হকের ব্যাট থেকে। মাত্র ৮১ বলে ১২ চারে এই স্কোর করেন মুমিনুল। অথচ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান এসেছে সাদমান ইসলামের ব্যাট থেকে। নাজমুল বেশ কিছুক্ষণ উইকেটে থেকে ইনিংসের শুরু পেয়েও বড় করতে ব্যর্থ হন। আউট হয়েছেন ১৯ রানে। দলের বাকি ব্যাটাররা ফিরেছেন এক অঙ্কের ঘরে রান করে।
দারুণ পেস সহায়ক উইকেট তৈরি করা জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের ইনিংসে কোনো স্পিনারকেই আক্রমণে টানেনি। বাঁহাতি পেসার নিউম্যান নামহুরি ক্যারিয়ার সেরা স্পেল করেছেন ৬১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে। এছাড়া ২ উইকেট করে নিয়েছেন বাকি তিন পেসার এনগারাভা, মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভানস।




