ক্রিকেট
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার জয়
- অভিষেকে ২ উইকেট সাকলায়েনের

সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রামে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। টসে জিতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৩১ রানে। রানতাড়ায় ১৮.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মিচেল মার্শের দল। অধিনায়কত্বে অভিষেকে হারের তেতো স্বাদ পেলেন তাওহিদ হৃদয়।
ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। লিটন একাদশে না থাকায় উইকেটের পেছনে দাঁড়ান পারভেজ হোসেন ইমন। একাদশে ছিলেন না নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ; অভিষেক হয়েছে আব্দুল গাফফার সাকলায়েনের। ২০২৪ এর ডিসেম্বরের পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশে ফিরেছেন মিচেল মার্শ, টিম ডেভিড এর মত তারকারা। সেই সঙ্গে অভিষেক হয়েছে বামহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিসের। ভারতে জন্মে পরে অস্ট্রেলিয়াতে অভিবাসন করা লেগস্পিনার নিখিল চৌধুরিকেও ছিলেন একাদশে।
বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা উইকেটে থিতু হতেই পারেননি। টি-টোয়েন্টিতে তাদের দক্ষতার মাত্রা যে আরও বাড়াতে হবে, সেটাইই বোঝা গেল খেলার ধরণে। ওয়ানডে দলে মেহেদি হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্ত কিংবা মোসাদ্দেক হোসেনরা অভিজ্ঞতা থেকে যে ভারসাম্যটা এনে দিয়েছেন, টি-টোয়েন্টিতে এখনো সেই পরিণতবোধ আসেনি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই। তানজিদ তামিম সোজা ক্যাচ তুলে দিয়েছেন হাভিয়ের বার্টলেটের হাতে, সৌম্য সরকারও লম্বা সময় পর টি-টোয়েন্টিতে প্রত্যাবর্তনের সু্যোগটা কাজে লাগাতে পারেননি, ১৭ জাম্পার বলে ক্যাচ দিয়েছেন নিখিল চৌধুরির হাতে। তাওহিদ হৃদয় প্রথম স্কোরিং শটে ছক্কা মারলেও ৮ রানের বেশি করতে পারেননি। পারভেজ ইমন ১০ আর শামীম পাটোয়ারি করেন ১ রান, সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন শেখ মেহেদি।
১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন জোয়েল ডেভিস, ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন জাম্পা আর ২ উইকেট নিয়েছেন রেনশ।
কুপার কনোলির ২৭ বলে ৪৭ রানের ইনিংসের সঙ্গে টিম ডেভিডের ২০ রান ও ম্যাট রেনশ এবং নিখিল চৌধুরির ১৮ রানের ইনিংসে ১৮.২ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৩ রান করে প্রথম ম্যাচটা জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অভিষেকে ২ উইকেট নিয়েছেন সাকলায়েন। ম্যাচসেরা অ্যাডাম জাম্পা।




