যে কারণে সবুজ ছেড়ে গোলাপি জার্সিতে মাঠে পাকিস্তান

সংগৃহীত ছবি
পাকিস্তানের ক্রিকেট মানেই সবুজ জার্সি। তবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই চেনা রঙের বদলে গোলাপি জার্সিতে মাঠে নেমেছে পাকিস্তান। শুধু ক্রিকেটারদের পোশাক নয়, গোলাপি রঙে সাজানো হয়েছে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশও। এর পেছনে রয়েছে বিশেষ একটি উদ্যোগ—স্তন ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা তৈরি।
পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে চলমান ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের চতুর্থ ম্যাচটি স্তন ক্যানসার সচেতনতার জন্য উৎসর্গ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অক্টোবর মাস বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসেবে পালিত হয়। সেই উপলক্ষেই ম্যাচটিকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেও ছিল গোলাপি রঙের ছোঁয়া। ম্যাচের স্টাম্প থেকে শুরু করে বড় পর্দা ও এলইডি বোর্ড—সবখানেই প্রচার করা হয়েছে সচেতনতামূলক বার্তা। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত এবং রোগটি থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানাতে গোলাপি ফিতা পরেছেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার, ম্যাচ অফিশিয়াল ও ধারাভাষ্যকারেরাও।
পিসিবির সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই উদ্যোগে সহযোগিতা করছে পিংক রিবন ব্রেস্ট ক্যানসার ট্রাস্ট হাসপাতাল। এর মূল লক্ষ্য, স্তন ক্যানসার দ্রুত শনাক্ত করার প্রয়োজনীয়তা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা।
পিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সুমাইর আহমদ সৈয়দ জানিয়েছেন, ক্রিকেটের ব্যাপক জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে চায় বোর্ড। তার ভাষায়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চ ব্যবহার করে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত ও সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
স্তন ক্যানসার সচেতনতায় পাকিস্তানের ক্রিকেটে গোলাপি রঙের ব্যবহার এবারই প্রথম নয়। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ‘পিংক ডে’ পালন করেছিল পিসিবি। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে এই প্রথম এমন উদ্যোগ নিল পাকিস্তান।



