কোরিয়ার কাছে হারে শুরু হকি দলের

সংগৃহীত ছবি
প্রথম কোয়ার্টারের প্রতিরোধ ভাঙল দ্বিতীয় কোয়ার্টার। বিশ্ব র্যাংকিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে থাকা দক্ষিণ কোরিয়াকে ঠেকিয়ে রাখা গেল প্রথম ১৫ মিনিট। তবে সংক্ষিপ্ত বিরতি শেষেই কোরিয়া ভেঙে দেয় বাংলাদেশের রক্ষণের আগল। গুনে গুনে তিন গোলের লিড নেয় বিশ্বের ২৩তম দলটি। এরপর তৃতীয় ও চতুর্থ কোয়ার্টারে একটি করে গোলে কোরিয়া ব্যবধান বাড়ালে সহজেই ৫-০ ব্যবধানে ধরাশায়ী হয় বাংলাদেশ পুরুষ হকি দল।
নাগোয়ার পাশের শহর গিফুতে এ ম্যাচে হারটা অনুমিতই ছিল। তবে এতটা সহজে হার কাম্য ছিল না। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে পুস্কর খীসা মিমো ও দ্বীন ইসলাম ইমন দুটি সহজ ফিল্ড গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন। পেনাল্টি কর্নারের একাধিক সুযোগও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন এ কাজে বিশেষজ্ঞ আমিরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলামরা।
শেষ কোয়ার্টারে কিছুটা খোলস ছেড়ে বের হয়ে এলেও কোরিয়ার গোল দরজা খুলতে পারেননি জিমি, মিমোরা। বিশেষ করে পিসির সহজ সুযোগগুলো নষ্টে হার দিয়ে এশিয়ান গেমসের যাত্রা শুরু হলো বাংলাদেশ পুরুষ হকি দলের।
এশিয়ান গেমসের হকি হচ্ছে গিফুতে। গ্রিন স্টেডিয়ামে হারে শুরু বাংলাদেশের সামনে আরও বড় পরীক্ষা। ২২ সেপ্টেম্বর তাদের খেলতে হবে আরও শক্তিশালী স্বাগতিক জাপানের বিপক্ষে। এরপর অবশ্য সামনে টানা দুটি জয়ের সুযোগ। শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ চাইবে পুল ফেভারিট ভারতের সঙ্গে শেষ ম্যাচ খেলতে।
অভিজ্ঞতার অভাব ও প্রস্তুতি ম্যাচে ঘাটতি দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হারের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ পুরুষ হকি দলের জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটার। গিফু প্রিফেকচারাল গ্রিন স্টেডিয়ামে এশিয়ান গেমস হকির পুল পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারের পর অভিজ্ঞ কোচ নিজের হতাশা চেপে রাখেননি। ম্যাচটি কখনোই ৫-০ ব্যবধানের হারের মতো ছিল না, দাবি করে গেরহার্ড দলের খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতার ঘাটতি এবং ভুলগুলোর কথা সামনে নিয়ে আসেন। কোচ জানিয়েছেন, ‘অনুশীলনের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় না, অভিজ্ঞতার জন্য আপনাকে ম্যাচ খেলতে হবে। তবে কিছু মানুষ এটা বুঝতে চায় না।’



