Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় শুরুর সুবাস

৭ সারথি

আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন মির্জ্জা আজিজ

agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৬:৩৩
আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন মির্জ্জা আজিজ

ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম (জন্ম: ২৩ ফেরুয়ারি ১৯৪১)

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন যারা তাদের মধ্যে ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম অন্যতম। অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে পলিসি নির্ধারণে লেখালেখির পাশাপাশি নির্মোহ বিশ্লেষণও করেন তিনি। বাংলাদেশের প্রখ্যাত এই অর্থনীতিবিদ ও বহু খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদের শিক্ষক অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন ২০০৭-০৮ সালে। ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯, এই দুই অর্থবছরের বাজেটও পেশ করেন তিনি।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার চেষ্টার কারণে সুনাম আছে ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলামের। প্রশাসনের ভেতর নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ তিনি উতরে গেছেন এই দুটো বৈশিষ্ট্য দিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে তো বটেই, পেশাগত জীবনেও ছিলেন শৃঙ্খলাবদ্ধ, পরিশ্রমী এবং নির্লোভ।

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ জানান, বাজেট পেশের আগে প্রতিদিন সাত-আট ঘণ্টা বিভাগের সবাইকে নিয়ে বসতেন মির্জ্জা আজিজ; বাজেট প্রস্তাবের প্রতিটি আইটেমের ওপর সেকেন্ড সেক্রেটারি, ফার্স্ট সেক্রেটারিদের যুক্তি ও হোমওয়ার্ক জানতে চাইতেন। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে যতদূর সম্ভব বাস্তবায়ন বা অর্জন যোগ্যতা-দক্ষতার ওপর জোর দিতেন। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ হাজার কোটি টাকা। তার পরামর্শ ও প্রেরণায় সেই প্রথম এবং শেষবারের মতো সে বছর রাজস্ব আহরণ দাঁড়িয়েছিল প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হাজার কোটি বেশি অর্জিত হওয়ায় স্যার তথা সরকারের অনুমোদন নিয়ে এনবিআরের সব পর্যায়ের চাকরিজীবীর (চেয়ারম্যান ছাড়া) মাথাপিছু পাঁচটি করে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়েছিল।

বাজেট প্রস্তাবের সময় সেক্রেটারিদের যুক্তি ও হোমওয়ার্ক জানতে চাইতেন। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে বাস্তবায়ন বা অর্জন যোগ্যতা-দক্ষতার ওপর জোর দিতেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স করে যুক্তরাষ্ট্রে যান উইলিয়ামস কলেজ থেকে উন্নয়ন অর্থনীতিতে মাস্টার্স করতে এবং এরপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন বোস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা দিয়ে পেশাগত ক্যারিয়ার শুরু তার। ১৯৬৪ সালে সিভিল সার্ভিস ও পাকিস্তান বা সিএসপি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। এরপর পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান সরকার এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮২ সালে জাতিসংঘে যোগদান করেন মির্জ্জা আজিজ। সংস্থাটির প্রতিনিধি হয়ে নিউ ইয়র্ক ও ব্যাংককে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেন। ২০০১ সালে তিনি জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের (এসকাপ) পরিচালক হিসেবে সংস্থাটি থেকে অবসর নেন। পরে বাংলাদেশে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) ২০০২-০৫ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হয়েছে।

২০০৬ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন মির্জ্জা আজিজ। বর্তমানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এই অর্থনীতিবিদ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা থাকাকালে ২০০৮ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তার ছিল প্রত্যক্ষ অবদান।

লেখালেখিতেও সক্রিয় তিনি। তার উল্লেখযোগ্য দুটো বই, ‘ম্যাক্রো ইকোনমিক ম্যানেজমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ এবং ‘ম্যাক্রো ইকোনমিক পলিসি ইমপ্লিমেন্টেশন ইন বাংলাদেশ’।

সুশাসনঅর্থনৈতিকশুরুর সুবাস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise