Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিশেষ লেখা

একা এবং একসঙ্গে আমীরুল ইসলাম

ইরাজ আহমেদ
ইরাজ আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০
একা এবং একসঙ্গে আমীরুল ইসলাম

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

মানুষের ভিড়ের মধ্যে আমীরুল ভাই পৃথক এক গ্রহের মতো ছিলেন। তার চিন্তার রাজ্যে সেই ভিড়ের কোনো প্রবেশাধিকার ছিল না। দূর থেকে তাকে মুড়ির মতো ছটফটে অনেক কলরবের ভিতরে আবিষ্কার করলেও অন্তর্গত চলাচলে ছিলেন একা। সেই এক পৃথক গ্রহের মতো উপস্থিতি। বলয়ের ভেতরে অবর্তিত হচ্ছে অনেক উপগ্রহ, কিন্তু গ্রহের ওপর তারা ছায়াপাত করে না। সেই ভ্রমণে শিশু সাহিত্যিক, ছড়াকার আমীরুল ইসলাম ছিলেন একা। হয়ত মৃত্যু তাকে বয়ে নিয়ে গেল এই কোলাহল থেকে নৈঃশব্দের সমুদ্রে।

এই লেখা যখন লিখছি আমীরুল ভাই তখনও হাসপাতালের বেডে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই সন্ধিক্ষণ সময়টা কেমন কেউ জানে? না, কারো পক্ষেই তা জানা সম্ভব নয়। হয়ত ছায়াময় একটি পথ, হয়ত ধূসর অথবা ঝকঝকে করে ধোয়ামোছা কোনো সুড়ঙ্গ। সেখান দিয়ে সময় বয়ে যায়, বয়ে যায় মানুষের জীবনের শেষ মুহূর্ত।

বড় একটা ঘড়ির কাটা অদৃশ্যে ঘুরে চলেছে ক্ষণ গণনা করতে করতে। কখন হাত তুলে নেবে জীবন, হাত ধরবে অমোঘ মৃত্যু কারো জানা নেই। জীবন এমনই এক নাট্যমঞ্চ। আমীরুল ভাই সেই মঞ্চে ছিলেন একক অভিনেতা। উপস্থিত দর্শক করতালি বাজাচ্ছে, আর তিনি লিখছেন, পাঠ করছেন, ভাবছেন। নিজের সৃষ্টির ভিতরে তিনি ছিলেন এক একক দুর্ধর্ষ চরিত্র।

সেই সন্ধিক্ষণের ঘনিয়ে ওঠা এই ছায়া ছায়া সময়ে লেখাটা লিখতে লিখতে তাকে দেখতে পাচ্ছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, বাংলাবাজারে কোনো প্রকাশকের ঘরে, লেখার টেবিলে, কোনো বিখ্যাত রেস্তোরাঁর ভিড়ে অথবা ঢাকা শহরের রাস্তায়। দেখা হলে ‘কী মিয়া, খবর কী’ সেই চিরকালের চেনা সম্ভাষণের ধ্বনি কানে এসে আছড়ে পড়ছে এখন।

তাকে ঘিরে বন্ধু আছে, আত্মীয়-স্বজনেরা আছে। কিন্তু আমীরুল ভাইয়ের একান্ত নিজস্ব সংসার বলতে কিছু ছিল না। বিয়ে করেননি। এক ধরনের বোহেমিয়ান জীবনকে অধিকার জেনে নিজের দখলে রেখেছিলেন। সেই জীবনের তিনিই ছিলেন অধীশ্বর। নিজের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা এবং একটি লক্ষ্যের দিকে ছুটিয়ে দিতে পারার অসাধারণ ক্ষমতা ছিল তার মধ্যে।

এই শহরে কাকে চিনতেন না তিনি! সাহিত্যের জগতে তাকে চিনত না এমন মানুষের সংখ্যাও ছিল কম। এই শহরে বিচিত্র পেশার মানুষ, নানা ধর্মের মানুষ, মতের মানুষের সঙ্গে ছিল তার গভীর সখ্য। সবাইকে চিনতেন তার আদ্যোপান্তসহ। এই শহরের একটা সময়ের ইতিহাস ছিল তার কাছে নিজের হাতের তালুর মতো জানা। কিন্তু শেষমেশ আমীরুল ইসলামকে চেনাটা কঠিন ছিল বলেই মনে হয়েছে সব সময়।

ঘরহীন, দুয়ারহীন এক ঘরে বসবাস করা এক মানুষটির মধ্যে কোথাও একটা অদৃশ্য দেয়াল তোলা ছিল। আর সেই দেয়ালের আড়ালে তিনি একা বসবাস করতেন। সেখানে সম্ভবত কেউ-ই প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি। এই আড়ালটুকু তার সৃষ্টিকর্মের আড়াল। একটা জীবন জুড়ে প্রচুর লিখেছেন তিনি।

শিশুদের জন্য ছড়া, গল্প, প্রবন্ধ, অনুবাদ। অসংখ্য বই প্রকাশিত হয়েছে। শিশু সাহিত্যিক হিসেবে দায়িত্ব হিসেবেই সেই পরিশ্রমটুকু তিনি অবলীলায় করেছেন। লেখালেখি এবং পড়াশোনার গভীরতা তাকে আলাদা এক সত্তায় পরিণত করেছিল। তার কাছে অদৃশ্য অথচ শক্তিশালী একটা আকর্ষক বলয় ছিল। আমার বিকর্ষণও ছিল। অবলীলায় সত্য বলতেন আবার আষাঢ়ে গল্প বলায় জুড়ি ছিল না তার। ফলে তাকে ঘিরে অন্যদের সবসময়ই ছিল কৌতুহল আর আকর্ষণ।

লেখা ফুরিয়ে এলো, সেই সন্ধিক্ষণও বোধহয়। ছায়া ছায়া সরণী বেয়ে আমীরুল ভাইও হয়ত যাত্রা করলেন নিঃস্তব্ধ সমুদ্রের দিকে, যেখান থেকে ঢেউ এসে নিয়ে গেল তাকে অনতিক্রম্য দূরত্বে। এই শহরের রোদ-বৃষ্টি, শীত-বসন্ত সেই হাসিমুখ, প্রাণবন্ত মানুষটিকে আর স্পর্শ করবে না। আড্ডার টেবিল ঘিরে ছটফটে মুড়ির মতো ফুটতে থাকবে না অসংখ্য কথা। আমীরুল ভাই একবার বলেছিলেন, ‘নীরবতাই আসলে মৃত্যু বুঝলা মিয়া। তুমি বাঁইচা থাকলেও ওইটা মৃত্যু।’

নীরবতার পর্দা নামল একক গ্রহ আমীরুল ইসলামের জীবনে। একসঙ্গে থেকেও আবার একা হয়ে গেল একজন মানুষের জীবন। আমাদের আর দেখা হলো না।

১
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই

খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন। শুক্রবার রাত ১টা ৭ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি আগামীর সময়কে নিশ্চিত করেছেন তার আমৃত্যু সহকারী ও ছড়াকার ইমরান পরশ এবং অন্যপ্রকাশের প্রকাশক ও লেখক মাজহারুল ইসলাম। ইমরান পরশ বলেছেন, রাত ১টা ৭ মিনিটে আমীরুল ইসলাম ইন্তেকাল করেন। পরে রাত ১টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসকরা পরিবারের দায়িত্বশীল সদস্যদের বিষয়টি জানান। তিনি আরও জানান, আমীরুল ইসলামরে শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরে তাকে দাফন কর...

বিস্তারিত পড়ুন...

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়

    মেঘমল্লার বসুর দরকার একজন প্রকৃত বন্ধুর বিশ্বস্ত হাত: প্রিন্স মাহমুদ

    মেঘমল্লার বসুর দরকার একজন প্রকৃত বন্ধুর বিশ্বস্ত হাত: প্রিন্স মাহমুদ

    শির দিল্লি সফরে কূটনৈতিক বরফ গললেও ব্যবসায়িক সম্পর্কে অবিশ্বাস কি ভাঙবে

    শির দিল্লি সফরে কূটনৈতিক বরফ গললেও ব্যবসায়িক সম্পর্কে অবিশ্বাস কি ভাঙবে

    ক্রয়ক্ষমতা কমায় খাদ্যঝুঁকি

    ক্রয়ক্ষমতা কমায় খাদ্যঝুঁকি