আগামীর সময়

আলোচনায় নেই হাদি হত্যার আসল খুনি : আম্মার

আলোচনায় নেই হাদি হত্যার আসল খুনি : আম্মার

শরীফ ওসমান হাদির মূল হত্যাকারী আলোচনার বাইরে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।

সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে ফয়সালকে খুনি নয় বরং শুটার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন রাকসুর এই নেতা। তিনি বলছেন, ‘শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনায় একটা বড় ভুল বারবার করা হচ্ছে খুনি আর শুটারকে এক করে ফেলা। অথচ এই দুইটা জিনিস এক না। বিষয়টা একটু পরিষ্কার করে দেখলে বোঝা যায় আসল প্রশ্নটা কোথায়।’

আম্মারের ভাষ্য, ‘প্রথমত কোনো হত্যাকাণ্ডে যে ট্রিগার টানে সে সবসময় প্রকৃত খুনি হয় না। সে হতে পারে একজন ভাড়াটে, একজন ব্যবহৃত মানুষ অথবা পুরো পরিকল্পনার সবচেয়ে নিচের স্তরের অংশগ্রহণকারী। কিন্তু হত্যার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছে, পরিকল্পনা কে করেছে, নির্দেশ কে দিয়েছে প্রকৃত দায় সেখানেই। শ্যুটারকে
অ্যারেস্ট করার এই বয়ানের ভেতরে কি সত্যিই হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীর কোনো আলোচনা আছে? হাদির খুনি সেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যে হত্যার হুকুম দিয়েছে, যে পুরো অপারেশনের পরিকল্পনা করেছে,যে জানত কেন এই হত্যা দরকার।’

‘অদ্ভুত বিষয় হলো এই জায়গাটাই পুরো আলোচনায় প্রায় অনুপস্থিত। মিডিয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য কিংবা সরকারি বয়ান কোথাও খুব স্পষ্টভাবে হুকুমদাতা বা মাস্টারমাইন্ড নিয়ে কোনো বাস্তব অনুসন্ধান বা অনুমানও নেই। তাই আসল প্রশ্নটা এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। হাদির শুটার কে এই প্রশ্নের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো হাদির হত্যার হুকুমদাতা কে? পরিকল্পনাকারী কে?কার স্বার্থে এই হত্যা ঘটানো হয়েছিল?’ যোগ করেন তিনি।

ফয়সালকে দেশে জীবিত আনা জরুরি বলে মনে করেন রাবির এই শিক্ষার্থী। বললেন, ‘এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ছাড়া কোনো তদন্তই পূর্ণ হয় না। আর সেই উত্তরগুলোর জন্যই শ্যুটারদের জীবিত দেশে ফেরত এনে হাদিকে কোন স্ট্যাবলিশমেন্টের জন্য খুন হতে হলো এটা সামনে আনা জরুরি।’

    শেয়ার করুন: