Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
শিক্ষকের পেনশনের টাকায় ‘শিশুস্বর্গ’
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ইসলাম

বিবাহে কুফু: ধর্মীয় নির্দেশনা নাকি সামাজিক প্রয়োজন?

মুফতি সাইফুল ইসলাম
মুফতি সাইফুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৭:৩৪
বিবাহে কুফু: ধর্মীয় নির্দেশনা নাকি সামাজিক প্রয়োজন?

প্রতীকী ছবি

বিয়ে শুধু দুজন মানুষের একসঙ্গে বসবাসের চুক্তি নয়; এটি দুটি পরিবার, দুটি জীবনদর্শন এবং দুটি ভবিষ্যতের মিলন। একটি সফল দাম্পত্যের স্বপ্ন নিয়ে প্রত্যেক মানুষই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বহু সংসার অল্প দিনের মধ্যেই কলহ, অবিশ্বাস কিংবা বিচ্ছেদের দিকে এগিয়ে যায়। এর পেছনে যেমন ধর্মীয় অনুশাসন থেকে দূরে সরে যাওয়া একটি কারণ, তেমনি আরেকটি কারণ হলো পাত্র-পাত্রীর উপযুক্ততা বা সামঞ্জস্য যাচাইয়ে অবহেলা।

ইসলামী শরিয়তে এই সামঞ্জস্যের একটি সুপরিচিত পরিভাষা হলো ‘কুফু’ (الكفاءة)। অথচ এই শব্দটি নিয়ে সমাজে যেমন অজ্ঞতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে দুই ধরনের চরমপন্থা। একদল মনে করে, কুফু মানেই বংশ, সম্পদ, সামাজিক মর্যাদা কিংবা গায়ের রঙের সমতা। অন্যদিকে আরেকদল দাবি করে, ইসলামে কুফু বলে কিছু নেই; কেবল মুসলিম হলেই যথেষ্ট। প্রকৃতপক্ষে এই দুই ধারণার কোনোটিই ইসলামের পূর্ণাঙ্গ অবস্থান নয়।

আরবি ‘কাফাআহ’ শব্দের অর্থ সমতা, সামঞ্জস্য, উপযুক্ততা কিংবা যোগ্যতা। ইসলামী আইনশাস্ত্রে এর অর্থ এমন সামঞ্জস্য, যা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্থিতিশীলতা এবং পারিবারিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়। ইমাম ইবনে কুদামাহ (রহ.) কুফুর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, এটি এমন একটি বিষয়, যা নারী ও তার পরিবারের জন্য সম্ভাব্য অপমান কিংবা ক্ষতির কারণগুলো প্রতিরোধ করে (আল-মুগনি, ৭/২৮)। অর্থাৎ কুফুর উদ্দেশ্য মানুষকে শ্রেণিভাগ করা নয়; বরং একটি টেকসই দাম্পত্যের পথ সুগম করা।

ইসলাম মানুষের মর্যাদা নির্ধারণে যে মানদণ্ড স্থির করেছে, তা পৃথিবীর অন্য সব মানদণ্ড থেকে ভিন্ন। মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘হে মানুষ! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হতে পারো। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান।’ (সুরা হুজুরাত, আয়াত : ১৩)

এই আয়াত অবতীর্ণ হয়েছিল এমন এক সমাজে, যেখানে বংশ, গোত্র ও সামাজিক অবস্থানকে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড মনে করা হতো। পবিত্র কোরআন সেই ধারণাকে ভেঙে দিয়ে তাকওয়াকে মানুষের প্রকৃত মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ইবন কাসীর (রহ.) বলেছেন, এই আয়াতের মাধ্যমে জাহেলি যুগের বংশীয় অহংকারের অবসান ঘটানো হয়েছে এবং ঘোষণা করা হয়েছে যে আল্লাহর নিকট মানুষের মূল্য নির্ধারিত হয় তাকওয়ার ভিত্তিতে। (তাফসীর ইবন কাসীর, সূরা আল-হুজুরাত)

তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে। যদি তাকওয়াই একমাত্র মর্যাদার মানদণ্ড হয়, তাহলে ফকিহরা কেন কুফু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন?

চলুন আমরা এর উত্তরে জন্য সুন্নাহর স্মরণাপন্ন হই; আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

إِذَا خَطَبَ إِلَيْكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ دِينَهُ وَخُلُقَهُ فَزَوِّجُوهُ إِلاَّ تَفْعَلُوا تَكُنْ فِتْنَةٌ فِي الأَرْضِ وَفَسَادٌ عَرِيضٌ

‘তোমরা যে ব্যক্তির দীনদারী ও নৈতিক চরিত্রে সন্তুষ্ট আছ তোমাদের নিকট সে ব্যক্তি বিয়ের প্রস্তাব করলে তবে তার সাথে বিয়ে দাও। তা যদি না কর তাহলে পৃথিবীতে ফিতনা-ফ্যাসাদ ও চরম বিপর্যয় সৃষ্টি হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১০৮৪)

এই হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বিবাহের ক্ষেত্রে প্রথমেই দ্বীন ও চরিত্রকে মানদণ্ড বানিয়েছেন। সম্পদ, বংশ বা সামাজিক মর্যাদাকে নয়। কারণ বাহ্যিক সৌন্দর্য সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে পারে, সম্পদ হারিয়ে যেতে পারে, সামাজিক অবস্থানও পরিবর্তিত হতে পারে; কিন্তু আল্লাহভীতি ও উত্তম চরিত্র থাকলে মানুষ সংকটের মধ্যেও সম্পর্ক রক্ষা করতে পারে।

একইভাবে নারীদের বিয়ে করার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন,

تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لأرْبَعٍ لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ

‘নারীকে চারটি কারণে বিয়ে করা হয়: তার সম্পদ, তার বংশ, তার সৌন্দর্য এবং তার দ্বীন। অতএব তুমি দ্বীনদার নারীকে অগ্রাধিকার দাও, তাহলেই সফল হবে।’ (বুখারি, হাদিস: ৫০৯০)

এখানে রাসূল (সা.) অন্য গুণাবলিকে অস্বীকার করেননি; বরং সেগুলোর মধ্যে দ্বীনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিযতে বলেছেন। এ থেকেই বোঝা যায়, ইসলামে কুফুর কেন্দ্রবিন্দু হলো তাকওয়া ও চরিত্র।

তবে ইসলামী ফিকহের চার মাযহাবের আলেমরা যখন কুফুর আলোচনা করেছেন, তখন তারা শুধু ধর্মীয় দিক নয়, সামাজিক বাস্তবতাকেও সামনে রেখেছেন। হানাফি ফকিহরা দ্বীনের পাশাপাশি বংশ, পেশা, আর্থিক সক্ষমতা এবং সামাজিক অবস্থানকেও কিছু ক্ষেত্রে বিবেচ্য বলেছেন (আল-কাসানী, বাদায়িউস সানায়ি, ২/৩৩১; রদ্দুল মুহতার, ৩/৫৬)।

কিন্তু এখানে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে, তারা এগুলোকে বিবাহের বৈধতার শর্ত বলেননি। বরং এগুলোকে বিবাহ-পরবর্তী বিরোধ, অপমান কিংবা সামাজিক সংঘাত এড়ানোর একটি বাস্তব বিবেচনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অন্যদিকে মালেকি মাযহাবের আলেমরা কুফুর ক্ষেত্রে দ্বীনকেই মুখ্য বলে গুরুত্ব দিয়েছেন। ইবনু আবদিল বার (রহ.) বলেছেন, মুসলমানদের প্রকৃত মর্যাদা তাকওয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, বংশের মাধ্যমে নয় (আল-কাফি)।

শাফেয়ি মাযহাবেও দ্বীন সর্বাগ্রে থাকলেও কিছু সামাজিক বিষয়ে কুফুর আলোচনা রয়েছে (ইমাম নববী, রওদাতুত তালিবীন, ৭/৬৩)।

হাম্বলি মাযহাবেও একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যায় (ইবন কুদামাহ, আল-মুগনি, ৭/২৮)।

এখানে একটি সূক্ষ্ম বিষয় অনুধাবন করা জরুরি। চার মাযহাবের আলোচনা পড়লে অনেকের মনে হতে পারে, তাহলে কি ইসলাম সামাজিক শ্রেণিবৈষম্যকে সমর্থন করেছে? উত্তর হলো, মোটেও নয়। বরং ফকিহরা সমাজের বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনা করে বলেছেন, যদি কোনো পার্থক্যের কারণে নিশ্চিতভাবে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে সে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু সেটিকে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড বানানো যাবে না।

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের ঘটনাগুলোও এই ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির সাক্ষ্য বহন করে। জায়েদ ইবন হারিসা (রা.) ছিলেন একজন মুক্তদাস। অন্যদিকে জয়নাব বিনতে জাহশ (রা.) ছিলেন কুরাইশের সম্ভ্রান্ত পরিবারের নারী। সামাজিক মর্যাদায় তাদের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ (সা.) তাদের বিবাহ সম্পন্ন করেছিলেন। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আল্লাহ তাআলা সুরা আহযাবে শিক্ষা দিয়েছেন যে, আল্লাহ ও তার রাসুল কোনো বিষয়ে ফয়সালা করলে মুমিনদের জন্য সেখানে নিজস্ব মতের অবকাশ থাকে না (সুরা আহযাব, আয়াত : ৩৬-৩৭)। এই ঘটনা মূলত বংশীয় অহংকার ভেঙে দেওয়ার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত।

বিদায় হজের ভাষণেও রাসূলুল্লাহ (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, ‘কোনো আরবের ওপর অনারবের, অনারবের ওপর আরবের, শ্বেতাঙ্গের ওপর কৃষ্ণাঙ্গের কিংবা কৃষ্ণাঙ্গের ওপর শ্বেতাঙ্গের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই; শ্রেষ্ঠত্ব কেবল তাকওয়ার মাধ্যমে।’ (মুসনাদ আহমদ, হাদিস: ২৩৪৮৯)

এই ঘোষণার পরও কেন কুফুর আলোচনা? কারণ তাকওয়া মানুষের মর্যাদার মানদণ্ড, আর কুফু মূলত একটি সফল দাম্পত্যের বাস্তব প্রস্তুতি। এই দুটি বিষয় এক নয়।

আজকের সমাজে কুফুকে অনেক সময় ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়। কোথাও বলা হয়, একই বংশ না হলে বিয়ে হবে না। কোথাও গায়ের রংকে যোগ্যতার মানদণ্ড বানানো হয়। কোথাও উচ্চশিক্ষিত মেয়ের জন্য সাধারণ শিক্ষিত কিন্তু দ্বীনদার যুবককে অযোগ্য বলা হয়। আবার কোথাও পেশাগত মর্যাদাকে এত বড় করে দেখা হয় যে চরিত্র ও তাকওয়া গৌণ হয়ে যায়। এসব প্রবণতা ইসলামের শিক্ষা নয়; বরং সামাজিক সংস্কারের নামে গড়ে ওঠা প্রথা।

অবশ্য এর বিপরীত দিকেও সতর্ক থাকা দরকার। কেউ যদি বলেন, ‘দ্বীন ঠিক থাকলেই আর কোনো বিষয় দেখার দরকার নেই’, তাও বাস্তবসম্মত নয়। ইসলাম মানুষকে বাস্তববিমুখ হতে শেখায় না। আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণের সক্ষমতা, মানসিক পরিপক্বতা, পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষা, জীবনদর্শন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া দাম্পত্যজীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। আল্লাহ তাআলা স্বামীদের ওপর পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন (সুরা নিসা, আয়াত : ৩৪)। সুতরাং আর্থিক দায়িত্ব পালনের সামর্থ্য বিবেচনা করাও শরিয়তের অংশ।

সমকালীন ফকিহ ড. ওয়াহবা আয-যুহাইলী লিখেছেন, কুফুর মূল ভিত্তি দ্বীন ও চরিত্র। তবে সমাজ, সংস্কৃতি ও পারিবারিক বাস্তবতা অনুসারে কিছু বিষয় বিবেচনা করা বৈধ হতে পারে, যদি তা শরিয়তের মূলনীতির বিরোধী না হয় (আল-ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু, খণ্ড ৯)।

শাইখ ইউসুফ আল-কারযাভী বলেছেন, ‘কুফু কখনোই সামাজিক অহংকারের নাম নয়; বরং এমন সামঞ্জস্য, যা দাম্পত্যজীবনকে স্থিতিশীল করে।’ (আল-হালাল ওয়াল হারাম ফিল ইসলাম)।

আধুনিক সমাজবিজ্ঞানও একই বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করে। দাম্পত্যজীবন নিয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর মার্কিন গবেষক জন গটম্যান দেখিয়েছেন, সফল সংসারের প্রধান উপাদান হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মূল্যবোধের মিল, দায়িত্ববোধ, সুস্থ যোগাযোগ এবং আবেগীয় পরিপক্বতা (The Seven Principles for Making Marriage Work)।

লক্ষ করলে দেখা যায়, ইসলামের কুফু-ধারণার মৌলিক উদ্দেশ্যও এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কাজেই কুফুকে যদি কেউ বংশীয় অহংকারের হাতিয়ার বানায়, তবে সে ইসলামের শিক্ষা থেকে বিচ্যুত হয়। আবার কেউ যদি কুফুর নামে সব ধরনের বাস্তব বিবেচনাকে অস্বীকার করে, তবুও সে ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান থেকে দূরে সরে যায়।

ইসলামের শিক্ষা হলো, সর্বপ্রথম দেখতে হবে ঈমান, তাকওয়া ও চরিত্র। এরপর বিবেচনা করতে হবে এমন বিষয়গুলো, যা সংসারকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে। কারণ ইসলামের উদ্দেশ্য কেবল একটি বিয়ে সম্পন্ন করা নয়; বরং একটি শান্তিপূর্ণ, স্থায়ী ও কল্যাণময় পরিবার গঠন করা।

আজ যখন বিবাহের সিদ্ধান্তে অনেক সময় অর্থ, বংশ, চাকরি কিংবা বাহ্যিক চাকচিক্যই মুখ্য হয়ে ওঠে, তখন কোরআন ও সুন্নাহ আমাদের নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, মানুষের প্রকৃত মর্যাদা তাকওয়ায়, আর একটি সুখী সংসারের প্রকৃত ভিত্তি পারস্পরিক ঈমান, উত্তম চরিত্র, দায়িত্ববোধ এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ সামঞ্জস্যে। কুফুর প্রকৃত অর্থও সেখানেই নিহিত।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক

saifpas352@gmail.com

বিয়েতে কুফুবিয়েতে সমতাবিবাহের কুফু
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    রপ্তানির ৮ হাজার কোটি উধাও অনুসন্ধানে ৪ সংস্থা

    রপ্তানির ৮ হাজার কোটি উধাও অনুসন্ধানে ৪ সংস্থা

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৭

    পিপলস রিপাবলিক অব ককরোচিয়া

    পিপলস রিপাবলিক অব ককরোচিয়া

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০০:০৫

    শ্রীপুরে ১৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার মাদক মামলার আসামি

    শ্রীপুরে ১৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার মাদক মামলার আসামি

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫০

    শিক্ষকের পেনশনের টাকায় ‘শিশুস্বর্গ’

    শিক্ষকের পেনশনের টাকায় ‘শিশুস্বর্গ’

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮

    ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটি, আহ্বায়ক জাবের ও সদস্যসচিব জুমা

    ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটি, আহ্বায়ক জাবের ও সদস্যসচিব জুমা

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৬

    মশা মারতে দুই সিটির কামানে ‘নতুন গোলা’

    মশা মারতে দুই সিটির কামানে ‘নতুন গোলা’

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১২

    স্ত্রী ঋতিকার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ অনুরাগের

    স্ত্রী ঋতিকার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ অনুরাগের

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬

    দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, ঝড় হতে পারে ৯ অঞ্চলে

    দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, ঝড় হতে পারে ৯ অঞ্চলে

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:২১

    তিন কারণে সাহাবুদ্দিনকে সুরক্ষা দেবে বিএনপি

    তিন কারণে সাহাবুদ্দিনকে সুরক্ষা দেবে বিএনপি

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৪

    আওয়ামী লীগের পুরনো ভিডিওকে সাম্প্রতিক বলে প্রচার

    আওয়ামী লীগের পুরনো ভিডিওকে সাম্প্রতিক বলে প্রচার

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৭

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২৮ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২৮ জুলাই)

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬

    কর্মজীবী নারীর পোশাকে নতুন ঢং

    কর্মজীবী নারীর পোশাকে নতুন ঢং

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪

    যৌন হয়রানির প্রতিবাদে খুবিতে মশাল প্রজ্বলন

    যৌন হয়রানির প্রতিবাদে খুবিতে মশাল প্রজ্বলন

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৮

    পরিবারে চাই গল্পের আসর

    পরিবারে চাই গল্পের আসর

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪

    ৩৬ কর্মী নেবে চা বোর্ড, আজ থেকে শুরু আবেদন

    ৩৬ কর্মী নেবে চা বোর্ড, আজ থেকে শুরু আবেদন

    ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৭

    advertiseadvertise