জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই, ঝুলে আছে মনিরা শারমিনের ভাগ্য

সংগৃহীত ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে এনসিপি প্রার্থী মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে চাওয়া হয়েছে অতিরিক্ত নথি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান জানান এ তথ্য ।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, জামায়াত মনোনীত ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে যাচাই করা হয়েছে।
যাচাইকৃত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ, সামসুন নাহার, মনিরা শারমিন, মাহমুদা আলম, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম।
এদিকে মনোনয়ন জমা দেওয়া এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তার মনোনয়নপত্র নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান জানান, মনিরা শারমিন তার মনোনয়নপত্রে পূর্ববর্তী পেশা হিসেবে সরকারি চাকরির কথা উল্লেখ করেছেন। বিবৃতিতে এনেছেন সরকারি বেতন কাঠামোর বিষয়টিও। এ কারণেই তার কাছে চাওয়া হয়েছে এসংক্রান্ত বিস্তারিত প্রমাণপত্র।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ বা পদত্যাগের পর তিন বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।
মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর চাকরি ছাড়েন গত বছরের ডিসেম্বরে। চাকরি ছাড়ার পর মাত্র চার মাস অতিবাহিত হওয়ায় আইনি জটিলতায় সম্ভাবনা রয়েছে তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার।

