এইচএসসিতে ৩৩ শতাংশ অনুপস্থিতি খতিয়ে দেখার দাবি রিজভীর

ছবি: আগামীর সময়
৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী চলমান উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা থেকে কেন বিরত থাকলো, তা খতিয়ে দেখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার বিকালে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলােদশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কল্যাণ ফ্রন্টের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান হয়।
রিজভীর ভাষ্য, এইচএসসি পরীক্ষার আগে যত নিবন্ধন করেছে, তার মধ্যে ৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি। অনেকের হয়তো বিয়ে হয়ে গেছে। এ ছাড়া আরও অন্য কারণ থাকতে পারে। কিন্তু এটা কেন হবে, তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের খতিয়ে দেখা উচিত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান তার এই উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে সবাই সবার কথা বলতে পারছে, যা অনেক দিন এ দেশে ছিল না। বর্তমান সরকার মানুষের বাক-স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।
এ সময় বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বললেন, বিভাজনের রেখা সবসময় তৈরি করা হয়েছে। চক্রান্ত করে কৃত্রিমভাবে বিভাজন তৈরি করা গেলেও বাস্তবে এ জাতিকে কখনও বিভাজন করা সম্ভব নয়। নির্বাচনে সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বিজয়ী করেছে। দেশ গঠনেও এখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে এবং হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা জয়ন্ত কুন্ডু, অমলেন্দু দাস অপু, জন গোমেজ, রমেশ দত্ত, দেবাশীষ রায় মধু, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি মৃগেন হাগিদক, কল্যাণ ফ্রন্টের সুরঞ্জন ঘোষ, উত্তম সরকার, সঞ্জিত কুমার দেব জনি প্রমুখ।







