প্রগতিশীল রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যের আহ্বান বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির

ছবি: আগামীর সময়
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হয়েছে এক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। শনিবার বিকেল চারটা থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে চলে এ আয়োজন। এতে ছিলেন দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জাতীয় নেতারা ও নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে বক্তাদের ভাষ্য, একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদী রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই তা নষ্ট করা যাবে না। জনগণের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গত ২২ বছর ধরে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তারা। এ ভূমিকাকে আপসহীন ও আদর্শিক আখ্যা দিয়েও প্রশংসাও করা হয়। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ভবিষ্যতেও এই ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বলেন, আগামী নির্বাচন যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হয়, তাহলে বোঝা যাবে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশকে ১৮ মাস পিছিয়ে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যারা ঢাকার মানুষ, তারা ঢাকাতেই ভোট দেবে। তাই নতুন ভোটার তালিকা করতে হবে। পুরোনো ভোটার তালিকা দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘সেসব কর্মকাণ্ড আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগেও হয়নি, এখন তা বরদাস্ত করা হবে না। কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের রাখা যাবে না রাজনৈতিক দলের ভেতরে।’
পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সভাপতিত্বে এবং রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতারা ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
অনুষ্ঠানের শেষভাগে সবাইকে ধন্যবাদ জানান বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী। এতে ছিলেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেনসহ আরও অনেকে।




