এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে ঘটে এ ঘটনা।
ককটেল বিস্ফোরণে আহতরা হলেন—বরিশালের বাকেরগঞ্জের আতাখালী এলাকার মো. গণি খন্দকারের ছেলে ও এনাম মেডিকেল কলেজের স্টাফ মো. শাহীন খান্দকার (৩০), পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার গোয়ালমারী এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে ও এনাম মেডিকেল কলেজের ছাত্র মো. জসিম (২৬) এবং সাভারের মুক্তির মোড় এলাকার উসমান গণির ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন (৪০)।
এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াসির আরাফাত সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য প্রদানকালে সমাবেশস্থলে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় সমাবেশ মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ছাড়াও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এদিকে সমাবেশস্থলে ককটেল হামলার পর সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নিয়েছেন এনসিপির নেতারা। সেখানে সমাবেশ চলাকালে এমন হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ করছেন তারা।
উল্লেখ্য, গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে দেশব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর অংশ হিসেবে সোমবার সাভারে পদযাত্রা ও সমাবেশের মধ্যদিয়ে দেশের ৬৪ জেলার ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় এই কর্মসূচি শুরু করেছে দলটি।
সাভার মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেছেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিস্ফোরণের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।’




