সাজেকে কী হচ্ছে, জানতে চাইলেন জামায়াত আমির

সাজেকে দুটি সংগঠন অবরোধ ডাকার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে সড়কে অবস্থান নিয়েছিল। ছবি: আগামীর সময়
রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে সেনাবাহিনী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে গোলাগুলির খবরে শুনে সেখানে আসলে কী ঘটছে, তা জানতে চেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাজেকে গোলাগুলির খবর আসার পর সরকারের কাছে তথ্য জানতে চেয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন তিনি। পাশাপাশি সরকারকে ‘ভুয়া’ গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না ছোটার পরামর্শও তিনি দিয়েছেন।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে পাহাড়ি দুটি সংগঠনের অবরোধের মধ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করে আনছিল সেনাবাহিনী। এসময় সশস্ত্র একটি দলের সঙ্গে সেনাবাহিনীর গোলাগুলি হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এই গোলাগুলির জন্য পাহাড়িদের রাজনৈদিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিং ফ্রন্টকে (ইউপিডিএফ) দায়ী করেছে পুলিশ। তবে ইউপিডিএফ দাবি করছে, সেখানে গোলাগুলি হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা একতরফা গুলিবর্ষণ করেছে।
বিরোধীদলীয় নেতা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে?’
পূজার ছুটির মধ্যে পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে গিয়েছিলেন অনেকে। অবরোধ এবং সংঘাতের কারণে হাজার খানেক পর্যটক আটকেও পড়েছেন।
জামায়াত আমির লিখেছেন, ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌড়িয়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
‘সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই। সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’
দৃশ্যত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে বিরোধীদলীয় নেতার এই ফেসবুক পোস্ট।
দুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে এক সমাবেশে বলেছিলেন, দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে বলে ‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য’ রয়েছে।
তার ভাষায়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ তৈরির চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে তার কাছে পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে যে সীমান্তের ওপার থেকে একটি পক্ষ অর্থ সরবরাহ করছে, আর দেশের ভেতরে আরেকটি পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।
বক্তব্যে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর দিকে ইঙ্গিত করেন। এরপর এ বিষয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিতে দেখা গেছে বিএনপি এবং জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের।



