শাহবাগ থানায় সংঘর্ষ, আহত ১৩ সাংবাদিক

আহত সাংবাদিকদের কয়েকজন।
রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতর বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঘটে এ হামলার ঘটনা।
এতে আহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি মানজুর হোছাঈন মাহি, সাধারণ সম্পাদক ও আগামীর সময়ের প্রতিনিধি লিটন ইসলাম, দেশ রূপান্তরের এইচ এম খালিদ হাসান, ডেইলি অবজারভারের নাইমুর রহমান ইমন, ডেইলি স্টারের মাহাথীর মোহাম্মদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের মো. ছাব্বিরুল ইসলাম, নয়া দিগন্তের মো. হারুন ইসলাম, রাইজিংবিডি ডটকমের মো. সৌরভ ইসলাম, মানবজমিনের মো. আসাদুজ্জামান খান, ঢাকা ট্রিবিউনের মো. সামশুদৌজা নবাব, প্রাইম বাংলাদেশের ইফতেখার সোহান সিফাত ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের মাহরিব বিন মহসিন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শাহবাগ থানার ভেতর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলের সংবাদ কভার করতে যান বেশ কয়েকজন ক্যাম্পাস সাংবাদিক। এ সময় থানায় ওসির রুমের বাইরে স্লোগান দিতে দেখা যায় কয়েকজন ছাত্রদল নেতাকর্মীকে। তাদের স্লোগান ধরার ভিডিও করতে যান সাংবাদিকরা। সে সময় ভিডিও করতে বাধা এবং একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেন তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মাহি বলেছেন, কয়েকজন সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে তাদের প্রধমে বাধা দেন ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী। পরে আমি গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলি আর নিজের পরিচয় দিলে ছাত্রদলের সাবেক সহ-স্কুলবিষয়ক সম্পাদক সফি ওবায়দুর রহমান সামিথ আমাকে ‘সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হয়েছিস তো কী বাল হয়েছে’ বলে তেড়ে আসে। এরপর কয়েক দফায় বাগবিতণ্ডা চলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে। একপর্যায়ে তারা সবাই মিলে আমাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে এবং এলোপাতাড়ি মারতে থাকে।
হামলায় ঢাকা মেইলের ঢাবি প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত চোখেমুখে গুরুতর আঘাত পাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় তাকে। এ সময় শাহবাগ থানার পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

