Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ভাগ্য বদলাচ্ছেন জুয়েল
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

দৃষ্টিপাত

পরিবর্তন চাই, কিন্তু পরিবর্তনের অঙ্গীকার কোথায়?

agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৯
শেয়ার করুন:
পরিবর্তন চাই, কিন্তু পরিবর্তনের অঙ্গীকার কোথায়?

সংগৃহীত ছবি

কিছু ভিডিও কখনো কখনো আয়নার মতো কাজ করে। সেখানে কেবল মানুষকে দেখা যায় না, দেখা যায় মানসিকতা, প্রস্তুতি আর দায়বদ্ধতার মাত্রা। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষক সমিতির নেতাদের একটি বৈঠকের ভিডিও ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেটিও তেমনই এক আয়না।

ভিডিওতে দীর্ঘ বক্তব্য বা নীতিগত বিতর্ক চোখে পড়েনি। বরং একটি সরল প্রশ্নই বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে। মন্ত্রীর প্রশ্ন ছিল সহজ। আপনারা নানা দাবি নিয়ে এসেছেন, ঠিক আছে। কিন্তু এর বিনিময়ে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে আপনারা কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কী পরিকল্পনা আছে আপনাদের। কীভাবে আপনারা ফলাফল নিশ্চিত করবেন।

প্রশ্নটি ছিল দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে। রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানানো নাগরিকের অধিকার। কিন্তু সেই দাবির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দায়িত্বের কথাও তো আসে। বিশেষ করে যখন দাবি তুলছেন শিক্ষকরা, যাদের হাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানস গঠনের দায়িত্ব।

কিন্তু প্রশ্নটি উচ্চারিত হতেই বৈঠকের পরিবেশ অন্যদিকে মোড় নেয়। একসঙ্গে অনেক কণ্ঠ, উত্তেজনা, বাধা দিয়ে কথা বলা। শৃঙ্খলার অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এমনকি কে আগে বলবেন, কীভাবে বলবেন, সেটুকুও স্থির করা যায়নি। পরে মন্ত্রী নিজেই অনুরোধ করেন, ধারাবাহিকভাবে কথা বলুন। শৃঙ্খলা বজায় রাখুন। আপনারা তো শিক্ষক, আপনাদের কাছ থেকেই সমাজ শেখে।

দুঃখজনকভাবে দেখা গেল, প্রশ্নের মর্মার্থ অনেকেই ধরতে পারেননি। যখন একজনকে মাইক্রোফোন দেওয়া হলো, তিনি বললেন, নতুন কারিকুলাম চাই, সেটি বাস্তবায়ন করব। কিন্তু সেটি তো দাবি। প্রশ্ন ছিল প্রতিশ্রুতি কোথায়। বর্তমান কাঠামোর মধ্যেই কী উন্নয়ন সম্ভব নয়। নতুন কিছু না পেলেও কি নিজেদের কর্মদক্ষতা বাড়ানো যায় না।

এই জায়গাটিতেই নীরবতা নেমে আসে। একের পর এক বক্তা এলেন, কিন্তু কেউ স্পষ্ট করে বলতে পারলেন না, তারা নিজেরা কী করবেন। ফলাফল উন্নত করতে কী পদক্ষেপ নেবেন। শিক্ষার্থীদের শেখার মান বাড়াতে কী উদ্যোগ নেবেন। দায়বদ্ধতার ভাষা সেখানে অনুপস্থিত ছিল।

এ ঘটনা শুধু একটি বৈঠকের চিত্র নয়। এটি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার নেতৃত্বের একটি মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। আমরা প্রায়ই কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা বলি, নতুন নীতি চাই, নতুন পাঠ্যক্রম চাই। কিন্তু নিজের কর্মপদ্ধতি, শৃঙ্খলা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে কতটা প্রস্তুত, সে প্রশ্নটি এড়িয়ে যাই।

শিক্ষকতা কেবল চাকরি নয়, এটি একটি নৈতিক অবস্থান। শ্রেণিকক্ষে দাঁড়িয়ে শিক্ষক যে আচরণ, যুক্তি ও সংযম প্রদর্শন করেন, সেটিই শিক্ষার্থীদের চরিত্রে ছাপ ফেলে। সেখানে যদি শৃঙ্খলা ও সংলাপের সংস্কৃতি অনুপস্থিত থাকে, তবে সেটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

রাষ্ট্রের কাছ থেকে দাবি থাকবে, থাকা উচিত। বেতন, সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো সবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই দাবির সমান্তরালে থাকা উচিত সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা। আমরা কীভাবে ফলাফল মাপব। কোন লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষার মান কতটা উন্নত করতে পারব। এসব প্রশ্নের উত্তর নেতৃত্বের কাছ থেকেই আসা দরকার।

ভিডিওটি তাই কেবল সমালোচনার উপকরণ নয়। এটি আত্মসমালোচনারও সুযোগ। শিক্ষা খাতের নেতৃত্ব যদি নিজেদের প্রস্তুত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিকল্পনামুখী করে তুলতে পারে, তবে দাবিগুলোও অধিকতর গ্রহণযোগ্য হবে। কারণ তখন রাষ্ট্র দেখবে, দাবি শুধু পাওয়ার জন্য নয়, দেওয়ারও অঙ্গীকার আছে।

শিক্ষাব্যবস্থার সংকট কেবল নীতির নয়, মানসিকতারও। আর সেই মানসিকতার পরিবর্তন শুরু হতে পারে একটি সরল প্রশ্ন থেকে। আমরা কী চাই, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কী দিতে প্রস্তুত।

মতামতশিক্ষামন্ত্রীস্পেশাল-১দৃষ্টিপাতশিক্ষক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    আইন সংশোধনে ‘একচ্ছত্র ক্ষমতা’ নিতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    কী হচ্ছে জামায়াত-এনসিপিতে? জোটে ভাঙনের সুর, নাকি দর কষাকষির কৌশল?

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    সাহিত্যে ‘সযত্ন ভালোবাসার প্রকৃতিবিজ্ঞান’

    ‘আমার মৃত্যুর জন্য সুমাইয়া দায়ী, আমার ছেলেকে মেরেছে শরীফ’

    ‘আমার মৃত্যুর জন্য সুমাইয়া দায়ী, আমার ছেলেকে মেরেছে শরীফ’

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    কেন আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ খাঁন, অন্যরা কে কী বলছেন

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    বদলে যাচ্ছে  জিয়া উদ্যান

    বদলে যাচ্ছে জিয়া উদ্যান

    তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের পর দিশাও রিমান্ডে

    তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের পর দিশাও রিমান্ডে

    লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত মিজান, দুই মেয়েকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত মিজান, দুই মেয়েকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    চিকিৎসক বলেছিলেন আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব: তানিয়া বৃষ্টি

    চিকিৎসক বলেছিলেন আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচব: তানিয়া বৃষ্টি

    অনুদান বন্ধ নয়, প্রয়োজন সংস্কার, সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নীতিমালা

    অনুদান বন্ধ নয়, প্রয়োজন সংস্কার, সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নীতিমালা

    পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-সংঘর্ষের মধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন

    পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ-সংঘর্ষের মধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন

    নতুন কাঠামোয় বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা

    নতুন কাঠামোয় বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা

    ই-পাসপোর্টে প্রতারণা, ৯ টাকার ‘টোপে’ ফাঁকা ব্যাংক হিসাব

    ই-পাসপোর্টে প্রতারণা, ৯ টাকার ‘টোপে’ ফাঁকা ব্যাংক হিসাব