Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

কারাগার নাকি মৃত্যুকূপ

agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪২
কারাগার নাকি মৃত্যুকূপ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কারাগার কোনো মানুষের মৃত্যুকূপ হতে পারে না। আদালত কোনো ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ড দিলে তিনি আইন অনুযায়ী শাস্তি ভোগ করবেন— এটাই স্বাভাবিক বিচারব্যবস্থার বিধান। কিন্তু বিচারাধীন একজন ব্যক্তি এখনো আইনের চোখে অপরাধী সাব্যস্ত নন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, বিচার চলছে; আদালতের চূড়ান্ত রায় হয়নি। ফলে একজন বিচারাধীন বন্দির কারাগারে থাকা মানে তার স্বাধীনতা সাময়িকভাবে সীমিত থাকা, জীবন ও মৌলিক মানবিক অধিকার হারিয়ে ফেলা নয়। অথচ ‘কারাগারে বেশি মৃত্যু বিচারাধীন বন্দিদের’ শিরোনামে দৈনিক আগামীর সময়ের বিশেষ প্রতিবেদনে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা উদ্বেগজনক এবং রাষ্ট্রের কারা ব্যবস্থাপনা প্রশ্নবিদ্ধ, সেটাই প্রকাশ করে।

কারাগারে একজন মানুষ কেন মারা যাবেন— এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে শুধু তার ব্যক্তিগত অসুস্থতা দিয়ে বিষয়টি ভাবার সুযোগ নেই। কারাগারের পরিবেশ, ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত বন্দি, অপর্যাপ্ত চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সীমাবদ্ধতা, হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব এবং দায়িত্বশীলদের অবহেলা—এসব কারণ যদি মৃত্যুর পেছনে ভূমিকা রাখে, তাহলে বিষয়টি নিছক ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ বলে পাশ কাটানো যায় না এবং দায়িত্বশীলদের দায় এড়ানোর বিন্দুমাত্র সুযোগ থাকে না। প্রতিটি মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং দায় নির্ধারণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

উন্নত দেশগুলোর কারাগার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতার বড় পার্থক্য এখানেই যে, সেখানে বন্দিকে শুধু ‘বন্দি’ হিসেবে দেখা হয় না; তাকে একজন মানুষ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। অনেক দেশে কারাগারে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, জরুরি চিকিৎসা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত হাসপাতাল স্থানান্তরের ব্যবস্থা রয়েছে। স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ ও চিকিৎসার ধারাবাহিকতাও গুরুত্ব পায়।

আর বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যা, অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতার মধ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। শুধু বিদেশের উদাহরণ দিয়ে বাংলাদেশের বাস্তবতাকে বিচার করলে হবে না। আমাদের সীমিত সম্পদ, বিপুল বন্দি এবং কারাগারের নিজস্ব কাঠামো বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত সংস্কার করতে হবে। কিন্তু অর্থের সীমাবদ্ধতা কখনোই একজন মানুষের জীবন রক্ষার মৌলিক দায়িত্ব থেকে রাষ্ট্রকে অব্যাহতি দিতে পারে না।

দেশের ৭৫টি কারাগারে বন্দির সংখ্যা ১ লাখের বেশি। প্রায়ই কোনো না কোনো কারাগারে অসুস্থ হয়ে বন্দি মারা যান। কিন্তু বিচারাধীন বন্দিদের বেশি মৃত্যুর কারণ দুশ্চিন্তা ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়া বলে জানিয়েছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ওয়াকিবহাল মহল। যারা পুরনো বন্দি বা বারবার কারাভোগ করেছেন কিংবা সাজাপ্রাপ্ত— তারা বন্দিজীবনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন। তবে যে বন্দিরা নতুন বা গুরুতর কোনো অপরাধ না করেই কারাভোগ করছেন, তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আসামি হওয়া বন্দিরাই বেশি মৃত্যুবরণ করছেন।

যে ব্যক্তি আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাকেও চিকিৎসা ও মানবিক মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করা যায় না। আর যিনি বিচারাধীন, তাকে তো আরও বেশি সতর্কতার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে রাখতে হবে। কারাগারগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ, আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা, জরুরি অ্যাম্বুলেন্স, প্রয়োজনীয় ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জবাবদিহি। কোনো বন্দি চিকিৎসার অভাবে মারা গেলে ‘অসুস্থ হয়ে মৃত্যু’ লিখে ফাইল বন্ধ করা যাবে না। চিকিৎসায় অবহেলা ছিল কি না, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। কারাগারের দেয়াল যত উঁচুই হোক, মানবাধিকারের সীমা তার চেয়েও উঁচু। তাই বিচারাধীন বন্দিদের মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে কারা স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার জরুরি।

কারাগারমৃত্যুকূপআদালতবিচারব্যবস্থাসম্পাদকীয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’,  ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’, ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী