Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

বিড়ালের হাতেই কি থাকবে মাছের ভার

agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১৩:১০
বিড়ালের হাতেই কি থাকবে মাছের ভার

বরাবর

মহাপরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

মহোদয়, সালাম জানবেন। আমি নরসিংদীর এক হতভাগ্য জমির মালিক। ঢাকা-সিলেট সড়ক সম্প্রসারণের নামে আমাদের পৈতৃক জমি নেওয়া হচ্ছে। ভাবলাম, দেশের উন্নয়ন হবে। কিন্তু এখন দেখছি, উন্নয়নের আড়ালে চলছে হরিলুট! কাগজে-কলমে রাতারাতি দালান তুলে কোটি কোটি টাকার সরকারি তহবিল লোপাট করা হচ্ছে।

সহযোগী এক পত্রিকার অনুসন্ধানে হাটে হাঁড়ি ভেঙে যাওয়ায় আপনাদের কার্যালয় থেকে ২০-২৫ জন দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে আগামী ১০ জুনের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের কড়া নির্দেশনা এসেছিল। আমরা আশার আলো দেখেছিলাম। কিন্তু ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় যার ঘাড়ে তদন্তের দায়িত্ব দিল, সেই অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. আজমল হোসেন নিজেই নাকি এ লুটপাটের অন্যতম কারিগর! কানুনগোর লিখিত আপত্তি উড়িয়ে যিনি এককালে ভুয়া বাড়িঘরের ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করেছিলেন, আজ তিনিই নাকি নিরপেক্ষ তদন্ত করবেন! চোরই যদি চুরির তদন্তে যায়, সিন্দুক ফাঁকা তো হবেই!

এদের ‘বর্তমান’ আর ‘বিগত’ বলে কোনো সরকার নেই; এরা চিরকালই বহাল তবিয়তে রাজত্ব করে

নরসিংদী ডিসি অফিসে এসে তিনি তোপের মুখে পড়লেন। বিক্ষুব্ধ জনতা যখন তারই সই করা দুর্নীতির পাকা নথি সামনে ধরল, সাহেব তখন লজ্জায় লাল। কোনো জবাব নেই মুখে। অথচ শুনছি, এ তদন্তের নামেও নাকি এরই মধ্যে এক কোটি টাকার গোপন খেলা হয়ে গেছে। আসল লক্ষ্য, প্রাক্তন চার জেলা প্রশাসক আর প্রভাবশালী এডিসিদের পিঠ বাঁচানো। সব দোষ নাকি চাপানো হবে চুনোপুঁটি সার্ভেয়ারদের ঘাড়ে।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এ লুটেরা সিন্ডিকেট আপনাদের কার্যালয়ের পবিত্র নির্দেশনাকেও বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ম্যানিপুলেট করছে। এদের ‘বর্তমান’ আর ‘বিগত’ বলে কোনো সরকার নেই; এরা চিরকালই বহাল তবিয়তে রাজত্ব করে। অর্থাৎ, যাকে বলে— মাছের তেলেই মাছ ভাজা! আজমল সাহেব নিজের ও বন্ধুদের পাপ ঢাকতে সেই চেনা ছকেই মাঠে নেমেছেন। অস্তিত্বহীন টিনের চালার দাম লাখ টাকা আর একতলা বাড়ি রাতারাতি দোতলা হয়ে যাওয়ার এ জাদুখেলা বন্ধ হওয়া দরকার। হাইকোর্ট এরই মধ্যে এ জালিয়াতি রুখতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

আপনাদের কাছে আকুল আবেদন, আপনাদের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখানো এ প্রহসনের তদন্ত কমিটি অবিলম্বে বাতিল করুন। বিড়ালের হাত থেকে মাছের দায়িত্ব কেড়ে নিন। কোনো সৎ ও নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে এ মহালুটের তদন্ত করান। না হলে ভুক্তভোগীদের চোখের জলে দেশের সাধের উন্নয়ন কিন্তু চিরতরে কালিমালিপ্ত হবে।

 

ইতি

নরসিংদীর এক সর্বস্বান্ত ভুক্তভোগী

আগামীর চোখমহাপরিচালকবরাবরহতভাগ্যসম্পাদকীয়
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise