Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ভাগ্য বদলাচ্ছেন জুয়েল
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

ক্ষত ও উপশম

agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৫
শেয়ার করুন:
ক্ষত ও উপশম

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

দেশের অর্থনৈতিক খাতে খেলাপি ঋণ নিয়ে দুশ্চিন্তা ও সমালোচনা দীর্ঘদিনের। ঋণখেলাপি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। এ পরিস্থিতিতে খেলাপি ঋণ কিনতে বিশেষ কোম্পানি বা ডিস্ট্রেসড সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি (ডিএএমসি) গঠনের সিদ্ধান্ত ব্যাংক খাতের জন্য একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। বিশ্বের অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে এই মডেল সফলভাবে কাজ করছে।

ডিএএমসি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই বিশেষ কোম্পানি আর্থিক খাতে এক নতুন প্রাণসঞ্চার করতে পারে। এটি গঠন কেবল ব্যাংকের খাতা পরিষ্কার করার মাধ্যম নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। ব্যাংকগুলো নতুন করে ঋণ বিতরণে মনোযোগ দিতে পারবে। ব্যাংকগুলো নগদ অর্থের বিনিময়ে বা বন্ডের মাধ্যমে এই খেলাপি ঋণ ডিএএমসির কাছে বিক্রি করবে। ফলে ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিনের তারল্য বা নগদ টাকার সংকটের উপশম হবে। ব্যাংকগুলোর ব্যালান্স শিট থেকে

ডিএএমসি যেহেতু কেবল ওই কাজের জন্যই গঠিত হবে, তাই তাদের কাছে দক্ষ আইনি ও কৌশলগত টিম থাকবে। এতে ঋণ আদায়ের হার বাড়াবে।

খেলাপি ঋণ কেনাবেচার বাজারও সৃষ্টি হবে নিঃসন্দেহে। এতে অর্থনৈতিক গতিপ্রবাহ বাড়বে, পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হবে। অনেক সময় ভালো উদ্যোক্তারাও পরিস্থিতিগত কারণে খেলাপি হয়ে যান। ডিএএমসি প্রয়োজনে বন্ধ বা লোকসানি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন করে তা আবার সচল করতে পারবে। সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধােন ও নজরদারিতে থাকায় এ উদ্যোগ সফল হবে বলে আশা করা যায়। ব্যাংক থেকে কোনো খেলাপি সম্পদ কিনলে সেটি কোম্পানির নিজস্ব সম্পদ হবে না; বরং আলাদা

এখানে বলে রাখা দরকার, ডিএএমসি যেন দ্রুত খেলাপিদের সম্পত্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে, সেজন্য আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা দরকার। প্রয়োজনে বিশেষ দেউলিয়া আদালত বা দ্রুত নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যেতে পারে। এই কোম্পানি যেন কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা প্রভাবশালীদের সুবিধা দেওয়ার হাতিয়ারে পরিণত না হয়, সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

যেহেতু খেলাপি ঋণ আমাদের অর্থনীতির একটি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত, সেহেতু ডিএএমসি গঠন এই ক্ষত নিরাময়ের একটি চমৎকার উপায় হতে পারে। তবে মনে রাখা দরকার, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এই কোম্পানিকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। দেশি-বিদেশি আর্থিক ও আইনি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হওয়া উচিত। এই উদ্যোগ সফলতার পথে অন্তরায় হতে পারে রাজনৈতিক কুপ্রভাব। সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, ব্যাংক খাতের সহযোগিতা এবং সঠিক আইনি সহায়তাই পারে

 

ঋণখেলাপিঅর্থনীতিসম্পাদকীয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    সবার আগে দরকার...

    সবার আগে দরকার...

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    গাজীপুরে মহাসড়কে ফের শ্রমিকদের অবস্থান, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    গাজীপুরে মহাসড়কে ফের শ্রমিকদের অবস্থান, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    রাত ৮টা থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বেশি

    রাত ৮টা থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বেশি

    সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তাজিম, সদস্য সচিব রাকিব

    সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তাজিম, সদস্য সচিব রাকিব

    দক্ষিণ কোরিয়ায় তায়কোয়ান্দোতে সোনা ও রুপা জিতলেন বাংলাদেশি নাফিউল

    দক্ষিণ কোরিয়ায় তায়কোয়ান্দোতে সোনা ও রুপা জিতলেন বাংলাদেশি নাফিউল

    ৬২৭ টাকা থেকে ১২,৫০০: পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা বেতন দাবি কতটা যৌক্তিক

    ৬২৭ টাকা থেকে ১২,৫০০: পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা বেতন দাবি কতটা যৌক্তিক

    অস্থিরতার পেছনে শিল্পমালিক সাবেক এমপি-মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অস্থিরতার পেছনে শিল্পমালিক সাবেক এমপি-মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    যখন
    বছরের
    পর
    বছর
    ঝুলে
    থাকা
    খেলাপি
    ঋণ
    চলে
    যাবে
    ,
    তখন
    ব্যাংকের
    আর্থিক
    স্বাস্থ্য
    ভালো
    হবে।
    সাধারণ
    ব্যাংকগুলোর
    মূল
    কাজ
    আমানত
    নেওয়া
    এবং
    ঋণ
    দেওয়া
    ;
    তাদের
    আইনি
    বা
    ঋণ
    আদায়
    টিম
    অনেক
    বড়
    খেলাপিদের
    পেছনে
    ঘোরার
    জন্য
    পর্যাপ্ত
    নয়।
    ট্রাস্টের
    নামে
    তা
    থাকবে।
    কোনো
    কারণে
    কোম্পানি
    দেউলিয়া
    হলেও
    ট্রাস্টে
    থাকা
    সম্পদে
    কোম্পানির
    পাওনাদারদের
    দাবি
    থাকবে
    না।
    এ
    ব্যবস্থায়
    একটি
    স্বস্তিদায়ক
    পরিস্থিতি
    হবে
    ঋণখেলাপিদের
    ক্ষেত্রে।
    ডিএএমসির
    আইনে
    ডিস্ট্রেসড
    সম্পদ
    ব্যবস্থাপনা
    শক্তিশালী
    টাস্কফোর্স
    গঠনের
    প্রস্তাব
    রাখা
    হয়েছে।
    ওই
    টাস্কফোর্স
    খেলাপি
    সম্পদ
    শনাক্ত
    ,
    তথ্য
    সংগ্রহ
    ,
    সম্পদ
    উদ্ধার
    ও
    আইনি
    ব্যবস্থা
    সমন্বয়ের
    কাজ
    করবে।
    সংশ্লিষ্ট
    সব
    সংস্থাকে
    প্রয়োজনীয়
    তথ্য
    দিতে
    বাধ্য
    করা
    হবে।
    এই
    বিশেষ
    কোম্পানিকে
    সফল
    করতে
    এবং
    দেশের
    অর্থনীতিকে
    টেকসই
    ভিত্তির
    ওপর
    দাঁড়
    করাতে।