বাজার মনিটরিং জরুরি

সংগৃহীত ছবি
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম পে স্কেলের অনুমোদন একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ। ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়িয়ে তিন ধাপে এই পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই প্রান্তিক ও মধ্যম সারির কর্মচারীদের জীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।
মুদ্রার অপর পিঠের চিত্র নিয়েও ভাবতে হবে। অতীত বলছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ার খবর বাজারে পৌঁছামাত্রই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যায়। তিন ধাপে এবং দুই অর্থবছর ধরে এটি বাস্তবায়ন হওয়ায় ধাপগুলোর অন্তর্বর্তী সময়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির চাপ কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা বড় প্রশ্ন। তা ছাড়া শুধু সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়লে বেসরকারি খাতের বিশাল অংশ এবং সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষ তীব্র মূল্যস্ফীতির শিকার হতে পারেন, যা সার্বিক অর্থনীতিতে বৈষম্য সৃষ্টি করবে।
শুধু বেতন বাড়ালেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। পে স্কেল বাস্তবায়নের পাশাপাশি বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা কঠোর করতে হবে, যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে না পারে।
লেখক: শিক্ষার্থী, বরিশাল



