সরকারের পদক্ষেপে যে বার্তা

প্রতীকী ছবি
দেশে সাম্প্রতিক দখলদারি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিজ দলের সংসদ সদস্য ও নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করেছে। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় ছত্রছায়ায় দখলদারিত্ব ও অরাজকতার যে রেওয়াজ গড়ে উঠেছিল, তা ভাঙতে দলমত-নির্বিশেষে কঠোর অবস্থান নেওয়া সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এই কঠোর পদক্ষেপে অপরাধীদের মনে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছেছে— দলীয় পদ-পদবি বা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অন্যায় করে পার পাওয়া যাবে না। এর ফলে শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার সাহস পাবে।
রাজনীতিতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধ দমনে এই ধরনের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা বহুলাংশে বাড়িয়ে তুলবে। দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে আইনি শাসন কায়েম করার এই ধারা যদি অব্যাহত থাকে, তবে দেশে স্থায়ী সুশাসন ও দখলবাজমুক্ত নিরাপদ সমাজ গঠন নিশ্চিত হবে। এর আগে প্রয়োজন সবার হাতে হাত রেখে ঐক্যবদ্ধ হওয়া।
সরকারের পদক্ষেপকে সামনে রেখে ও নতুন প্রজন্মের মুখে হাসি ফোটাতে এ প্রত্যয় আমাদের পূরণ করতে হবে। সরকারের এ পদক্ষেপকে সফল করতে স্বচ্ছতা, সততা ও ন্যয়ভিত্তিক পদক্ষেপই জরুরি।
লেখক: বেসরকারি চাকরিজীবী, ঝিনাইদহ।



