Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

বাঘ দিবস

পাহাড়ের বনে বাঘের বিপদ

ইশতিয়াক হাসান
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩
শেয়ার করুন:
পাহাড়ের বনে বাঘের বিপদ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

১৯৭১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের কাসালং সংরক্ষিত বনে ত্রাস সৃষ্টি করেছিল এক মানুষখেকো বাঘ। ১৯৭৬ সালের মধ্যে বাঘটি ৩০ জনের বেশি মানুষকে শিকার করেছিল। অবজারভার ও ইত্তেফাক পত্রিকার পাতায় ছাপা হয়েছিল বাঁশ কাটতে গিয়ে প্রাণ হারানো অসহায় মানুষগুলোর নাম। ১৯৫০ সালের অক্টোবরে কাসালংয়ে বাঘ দেখে লিখেছিলেন বন কর্মকর্তা ইউসুফ এস আহমেদ; কাপ্তাই বাঁধ তৈরির সময় মাইনি ও মাহিল্লা এলাকায় বাঘ শিকারের বিশদ বর্ণনা দেন এনায়েত মাওলা।

শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামই নয়; গত শতকের মাঝামাঝিতে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহের গারো পাহাড় এবং ঢাকার কাছে ভাওয়াল-মধুপুর গড়ে বাঘ খুব অস্বাভাবিক প্রাণী ছিল না। ১৯৬০-এর দশকে প্রকৃতিবিদ নওয়াজেশ আহমেদ লাউয়াছড়ার জঙ্গলে জিপে চলার সময় প্রকাণ্ড এক বাঘকে রাজকীয় চালে হেঁটে যেতে দেখেন। পঞ্চাশের দশকে সুনামগঞ্জে বাঘ শিকারের বিবরণ দেন আবদুর রহমান চৌধুরী। তারও আগে থমাস হারবার্ট লুইন, জর্জ পি স্যান্ডারসন ও আর এইচ স্নেইড হাচিনসনের মতো

তাহলে গত ৭০ বছরে দেশের সমৃদ্ধ পাহাড়ি বনগুলো থেকে এই রাজকীয় প্রাণীটি প্রায় পুরোপুরি বিলুপ্তির মুখে পড়ল কেন?

অত্যধিক ও অনিয়ন্ত্রিত শিকারকে দায়ী করেন অনেকে। একসময় ইংরেজ সাহেব এবং দেশীয় রাজা-জমিদাররা শখে বাঘ শিকার করতেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের কাছে এটি ছিল জীবিকার অন্যতম উপায়; তারা বাঘের মাংসও খেতেন। কিন্তু বাঘের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায় সংঘবদ্ধ চোরাশিকারিদের উপদ্রব। বাঘের প্রধান খাদ্য মায়া হরিণ, সাম্বার ও বুনো শূকর নিধন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক কাঠ সংগ্রহ, জুম চাষ ও মানববসতির বিস্তার বন ধ্বংসে বড় ভূমিকা

তবু কিছু বাঘ এখনো কোনোরকমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বনে টিকে থাকতে পারে বলে ধারণা গবেষকদের। ড. মনিরুল খানের ‘টাইগার্স ইন ম্যানগ্রোভস’ গ্রন্থে ২০১০ সালেও কাসালং রিজার্ভে বাঘ ছিল বলে জানিয়েছেন। ২০১১ সালে তাজিংডং পাহাড়ে বাঘ শিকার হয়। বন্য প্রাণী গবেষক সুপ্রিয় চাকমার তথ্যমতে, ২০০৫-০৬ সালে কাসালংয়ের দুর্গম অরণ্যে দুটি বাঘ মারা পড়ে এবং ২০১০-১১ সালে রাইংক্ষ্যং অরণ্যেও মেলে বাঘের খোঁজ। পরিবেশ সাংবাদিক হোসাইন সোহেল বান্দরবানের মোদকের কাছে দুটি

কাজাখস্তান যদি বিলুপ্ত বাঘ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা হাতে নিতে পারে কিংবা ভারত যদি নামিবিয়া থেকে চিতা এনে বনে ছাড়তে পারে, তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম কেন পারবে না?

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে সাজেকে বেড়াতে গিয়ে এক রিসোর্ট মালিকের সঙ্গে আড্ডায় জানতে পারি— আগের বছর একটি বাঘ শিকারের পর মাংস খেয়েছিলেন তারা। এর বাইরে ২০১১ সালে কুলাউড়ার জুড়ীর লাঠিটিলায় এক স্থানীয় শিকারি বাঘ দেখার কথা বলেন। তবে খণ্ড-বিখণ্ড বন ও খাবারের অভাবে সিলেটে বাঘের স্থায়ী বসতির আশা করা অবান্তর। কঠিন বাস্তবতা হলো, গত পাঁচ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য মেলেনি। কাসালং সীমান্তঘেঁষা ভারতের ডামপা ব্যাঘ্র

তবে মূল চ্যালেঞ্জটি কেবল পরিবেশগত নয়; রয়েছে জটিল ভূরাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকটও। পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জটিল ও বহুমাত্রিক। প্রথাগত ভূমি অধিকারের স্পষ্ট নিষ্পত্তি না থাকায় বন বিভাগ ইচ্ছা করলেই বনাঞ্চলে একক আইনি বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। গহিন অরণ্যে নিরাপত্তা সংকট, আঞ্চলিক রাজনৈতিক উত্তাপ এবং সশস্ত্র গ্রুপগুলোর উপস্থিতির কারণে বনকর্মীদের পক্ষেও নিয়মিত মনিটরিং কাজে গভীরে প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব।

বাঘের সুরক্ষার জন্য প্রথমত, বন বিভাগের সঙ্গে সেনাবাহিনী ও বিজিবিকে যুক্ত করে দুর্গম সীমান্ত বনাঞ্চলে একটি শক্তিশালী যৌথ সুরক্ষাবলয় গড়ে তুলতে হবে, যাতে চোরাশিকার ও অবৈধ কাঠ পাচার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রথাগত ভূমি অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের বনাঞ্চল সুরক্ষার সরাসরি অংশীদার ও সুবিধাভোগী করতে হবে। পাহাড়ে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোকে পরিবেশ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্ব বুঝিয়ে এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা

ক্যামেরা ট্র্যাপিং করে কাসালং ও সাঙ্গু-মাতামুহুরীর গহিন বনে বাঘ এবং তার খাদ্য প্রাণীর সুনির্দিষ্ট ঘনত্ব ও উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। যদি বাঘের উপস্থিতি মেলে, তবে সে অঞ্চলের বন রক্ষা ও বন্য প্রাণীর সংখ্যা বাড়ানোর উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। আর যদি অনুপস্থিত থাকে, তবে বাঘ ছাড়ার দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করা সম্ভব। কাজাখস্তান যদি বিলুপ্ত বাঘ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা হাতে নিতে পারে কিংবা ভারত যদি নামিবিয়া থেকে চিতা এনে

 

লেখক : সাংবাদিক, বন্য প্রাণীবিষয়ক লেখক

 

পার্বত্য চট্টগ্রামপাহাড়বিপদবাঘ দিবসম্যানগ্রোভ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    মেট্রোরেলে নজীবুর রহমানের মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের ‘কমনসেন্স’

    মেট্রোরেলে নজীবুর রহমানের মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের ‘কমনসেন্স’

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    ব্রিটিশ
    কর্মকর্তার
    নথিতেও
    মিলত
    পাহাড়
    জুড়ে
    বাঘ
    বিচরণের
    ভূরি
    ভূরি
    তথ্য।
    রেখেছে।
    বাঘ
    শিকারের
    তথ্য
    দেন।
    এমনকি
    ২০২০
    সালেও
    কেওক্রাডংয়ের
    পাদদেশে
    বাঘের
    আক্রমণে
    একটি
    গরু
    মারা
    যাওয়ার
    কথা
    জানান
    পাহাড়ি
    কারবারি
    লালা
    বম।
    প্রকল্পেও
    সর্বশেষ
    জরিপে
    বাঘ
    মেলেনি
    ,
    যদিও
    ২০২১
    সালে
    এক
    বনরক্ষীর
    ক্যামেরায়
    বাঘের
    একঝলক
    অবয়ব
    ধরা
    পড়েছিল।
    তারপরও
    কাসালং
    ,
    সাঙ্গু
    -
    মাতামুহুরী
    এবং
    সীমান্তঘেঁষা
    ভারত
    ও
    মিয়ানমারের
    বিস্তীর্ণ
    অরণ্যের
    ভৌগোলিক
    সংযোগ
    বা
    করিডর
    ধরে
    এখনো
    খুব
    অল্প
    সংখ্যায়
    বাঘ
    টিকে
    আছে
    বলে
    ধারণা
    করা
    যায়।
    আন্তরিক
    উদ্যোগে
    এখনো
    পাহাড়ে
    বাঘ
    ফিরিয়ে
    আনা
    সম্ভব।
    অত্যন্ত
    জরুরি।
    বনে
    ছাড়তে
    পারে
    ,
    তবে
    পার্বত্য
    চট্টগ্রাম
    কেন
    পারবে
    না
    ?
    সেখানে
    এখনো
    শিকার
    প্রাণীর
    বৈচিত্র্য
    মোটামুটি
    ভালো।
    পাহাড়ের
    বুক
    থেকে
    রাজকীয়
    বাঘের
    গর্জন
    চিরতরে
    ইতিহাসের
    পাতায়
    হারিয়ে
    যাবে
    না
    —
    এটাই
    চাওয়া।